শিরোনাম
◈ ‌কোচ জিদানের প্রথম ফ্রান্স দলে ৫ নতুন মুখ ◈ ইউনিয়ন বার্লিনের জা‌লে বায়ার্ন মিউনি‌খের ৭ গোল, হ‌্যা‌রি কেইনের রেকর্ড ◈ ইং‌লিশ লি‌গে চেলসিকে উড়ি‌য়ে দি‌লো ব্রেন্টফোর্ড ◈ বাংলাদেশসহ ২১১ সদস্যকে ১২৩ কোটি টাকা করে দেওয়ার দাবিতে ইনফান্তিনোকে উয়েফা-কনকাকাফের চিঠি ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ, বিশ্ব পারমাণবিক শক্তির জগতে বাংলাদেশ ◈ জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ শুরু ◈ বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস, ১৭ দিনে পাড়ি ৪০ হাজার ৫৯৩ জনের ◈ টানা ৬ ঘণ্টা শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ রাজধানীর একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার বাসে আগুন (ভিডিও) ◈ শেষ মুহূর্তে বাতিল শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের দিল্লি বৈঠক, নেপথ্যে কী?

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:৩৮ সকাল
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রাসাদ, ব্যক্তিগত দ্বীপ, দামি গাড়ি : কিম জং উনের বিলাসী জীবন যেমন

কার্ল মার্ক্স যে ‘শ্রমিকের স্বর্গের’ স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেখানে ব্যক্তিগত দ্বীপ, একের পর এক প্রাসাদ কিংবা হাজারো নারীর ব্যক্তিগত হারেম—এসব নিশ্চয়ই কল্পনায় ছিল না। অথচ উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের জীবনযাপন নিয়ে প্রকাশিত নানা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই বিলাসবহুল এক জগতের ছবি।

অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়ার সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই খাদ্যসংকট, দারিদ্র্য ও কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে জীবনযাপন করছে। এই বৈপরীত্যই কিমের জীবনযাপনকে ঘিরে বিশ্ববাসীর আগ্রহের অন্যতম কারণ।

advertisement

কিম ২০১১ সালে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকেই তার বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে নানা তথ্য সামনে এসেছে। তার সম্পদের পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন অনুমান রয়েছে; কিছু প্রতিবেদনে তা কয়েক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বলা হয়েছে। বিলাসবহুল গাড়ি, প্রাসাদ, দামি ঘড়ি, বিদেশি খাবার, মদ, ব্যক্তিগত বিমান ও ইয়ট—তার জীবনযাপনের সঙ্গে এসবের নাম জড়িয়ে আছে।

পরমাণু হামলা ঠেকানোর মতো প্রাসাদ, সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বীপ

advertisement

জনসমক্ষে না থাকলে কিমের হাতে রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল আবাসন—এমন দাবি বহু বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়াজুড়ে কিমের প্রায় ১৭টি প্রাসাদ বা বিলাসবহুল আবাসন রয়েছে। এর মধ্যে ওয়নসানে একটি প্রাসাদের নিজস্ব প্রায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

advertisement

তার প্রধান আবাসনগুলোর একটি রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের ‘সেন্ট্রাল লাক্সারি ম্যানশন’। এটিকে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত বলে বর্ণনা করা হয়। সেখানে একাধিক সামরিক ইউনিট, বৈদ্যুতিক বেড়া ও মাইনফিল্ড থাকার দাবি রয়েছে। এমনকি প্রাসাদের নিচে একটি নিজস্ব রেলস্টেশন এবং অন্যান্য সম্পত্তির সঙ্গে সংযোগকারী টানেল থাকার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তবে বিশাল প্রাসাদই কিমের বিলাসিতার শেষ নয়। অবসর কাটানোর জন্য তার একটি ব্যক্তিগত দ্বীপ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

কিমের ‘নিজস্ব ইবিজা’

কিমের সঙ্গে ‘অদ্ভুত’ বন্ধুত্বের কারণে পরিচিত সাবেক এনবিএ তারকা ডেনিস রডম্যান ২০১৩ সালে ওই দ্বীপে সময় কাটানোর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন।

রডম্যানের বর্ণনা অনুযায়ী, দ্বীপটি অনেকটা হাওয়াই বা ইবিজার মতো। সেখানে কিমের আশপাশে সবসময় ৫০ থেকে ৬০ জন মানুষ থাকেন, যারা সময় কাটান, পানীয় পান করেন এবং আনন্দ করেন।

রডম্যান দ্বীপটির পরিবেশকে অত্যন্ত বিলাসবহুল হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে পানীয় থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস—সবকিছুই ছিল উন্নতমানের।

সাঁজোয়া বিমান, ট্রেন আর বিলাসবহুল গাড়ি

কিমের ভ্রমণব্যবস্থাও সাধারণ কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের মতো নয়। তার রয়েছে বিলাসবহুল বিমান, সাঁজোয়া গাড়ি এবং বিশেষভাবে সুরক্ষিত ট্রেন।

রডম্যান কিমের ব্যক্তিগত ইয়টও দেখেছিলেন বলে দাবি করা হয়। প্রায় ৯৫ ফুট দীর্ঘ এই ইয়টকে তিনি ফেরি ও ডিজনি ক্রুজের মাঝামাঝি ধরনের বলে বর্ণনা করেছিলেন। এটি ব্রিটিশ নকশার প্রিন্সেস ৯৫ এমওয়াই ইয়ট বলে ধারণা করা হয়, যার দাম প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে শোবার কক্ষ, প্রশস্ত ডেক এবং প্রায় ১০ জনের জন্য খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।

বিমানে ভ্রমণের সময় কিম ব্যবহার করেন এয়ার ফোর্স ইউএন নামে পরিচিত একটি বিলাসবহুল রুশ আইএল-৬২ বিমান। এটির মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হয়। এমনকি কিম নিজেই মাঝে মাঝ