শিরোনাম
◈ যে কারণে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হলো নুরকে ◈ সংকট নেই বলছে সরকার, পাম্পে কেন তেলের হাহাকার? ◈ হাইপারসনিক মিসাইল নিয়ে তিন দেশে নতুন হামলা ইরানের, ২২০ মার্কিন সেনা হতাহতের দাবি ◈ মার্চে জ্বালানি সংকট হবে না: আসছে ২.৮০ লাখ টন ডিজেল, পেট্রোল-অকটেনও পর্যাপ্ত ◈ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে ভারত: ইফতার অনুষ্ঠানে প্রণয় ভার্মা ◈ ট্রাম্পের হুমকির জবাবে নতুন মার্কিন স্থাপনা খুঁজছে ইরান ◈ যুদ্ধ উত্তেজনার মাঝেই কাতারের এলএনজি ট্যাংকার বাংলাদেশের পথে: ব্লুমবার্গ ◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে দুবাই থেকে এমিরেটসের সব ফ্লাইট স্থগিত ◈ “বেশি বাড়াবাড়ি করলে দিল্লির সরকার ফেলে দেব”: মমতা ◈ আসিফ নজরুলের দুর্নীতি?

প্রকাশিত : ০৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৪৭ রাত
আপডেট : ০৮ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি খোলা, নিশানায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের জাহাজ: ঘোষণা দিল ইরান

ইরান জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না।

ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক মুখপাত্র রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এই মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, তেহরান পুরো নৌপথ বন্ধ করার বদলে নির্দিষ্ট কিছু দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচল সীমিত করার নীতি নিচ্ছে।

বিশ্বের তেলের একটি বড় অংশ এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে পরিবহন হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, কোনো দেশ থেকে সরাসরি হামলা না হলে ভবিষ্যতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো আর লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শুক্রবার (৬ মার্চ) দেশটির অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। শনিবার দেওয়া এক বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জানান, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রতিবেশী দেশগুলোতে যে হামলা হয়েছে, সেজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশও করেন।

যুদ্ধের শুরুতে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) কয়েকটি দেশ ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। এর মধ্যে ছিল সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান। এসব দেশে বা তাদের সীমান্তের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা থাকার কারণেই হামলা চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে তেহরান। এছাড়া ইরাক, জর্ডান, আজারবাইজান ও তুরস্কেও সংঘাতের প্রভাব পড়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়