শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৫১ সকাল
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

'যুদ্ধ হলে ট্রাম্প এমন শিক্ষা পাবে যে বিশ্বে আর দাপট দেখাতে পারবে না'

পার্স-টুডে : ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ বলেছেন, ট্রাম্পকে বুঝতে হবে তিনি এমন এক শিক্ষণীয় সংঘাতে পা রাখতে যাচ্ছেন, যার পরিণতি এমন হবে যে তিনি আর বিশ্বে দাপট বা বলদর্পিতা দেখাতে পারবেন না।

রোববার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ আবদুর রহিম মুসাভি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান। পার্স-টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি বলেছেন, নিজেকে মহাশক্তি দাবি করা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এ ধরনের কথা একজন রাষ্ট্রপতির মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং তা হালকা ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ট্রাম্প যদি যুদ্ধই চান, তাহলে আলোচনার কথা কেন বলছেন? ট্রাম্পকে জানতে হবে, তিনি এমন এক শিক্ষণীয় যুদ্ধে প্রবেশ করছেন, যার ফল হবে এই যে তিনি আর বিশ্বে দাপট বা বলদর্পিতা দেখাতে পারবেন না।

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মান সাময়িকী ডার শ্পিগেল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সাইডলাইনে ইউক্রেনের অর্থায়নের জন্য জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহারের বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। শ্পিগেল আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে অতিরিক্ত অস্ত্র কেনার জন্য জব্দ করা রুশ আর্থিক সম্পদের ৯০ বিলিয়ন ইউরো ব্যবহারের প্রস্তাব বার্লিন আবারও এগিয়ে নিতে পারেনি।

এদিকে,  ফরাসি নাগরিকরা তাদের দেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের করে নেয়ার দাবিতে প্যারিসে বিক্ষোভ করেছে। এই বিক্ষোভে ফ্রান্সের প্যাট্রিয়টস পার্টির নেতা ফ্লোরিয়ান ফিলিপো বলেন, “আমার মনে হয় আমরা যতদিন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর ভেতরে থাকব, ততদিন প্রকৃত কূটনীতি থাকবে না। তাই সবকিছুই শুধু কথার কথা। আমাদের সত্যিই রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপ দরকার।”

ভারত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক দস্যুতা অব্যাহত থাকার ধারাবাহিকতায় দেশটির যুদ্ধ মন্ত্রণালয় এক অলীক অজুহাত দেখিয়ে একটি তেলবাহী জাহাজ আটক করার কথা জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের বাহিনী ‘ভেরোনিকা–৩’ নামের জাহাজটি অনুসরণ করে আটক করেছে।

ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরের ভূমি আরও গ্রাস ও দখল সহজ করতে একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে তথাকথিত ‘জর্ডান আইন’ বাতিল, যা ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তি ইহুদিদের কাছে বিক্রি নিষিদ্ধ করত। পাশাপাশি ভূমির নথির গোপনীয়তা প্রত্যাহার, আল-খলিল শহর এলাকায় পরিকল্পনা ও নির্মাণের ক্ষমতা ‘ইসরায়েলি সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’-এর কাছে হস্তান্তর, নজরদারি বাড়ানো এবং ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ভাঙচুর—এসবও এই সিদ্ধান্তগুলোর অংশ। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়