শিরোনাম
◈ ঈদের আগে ২৩ দিনে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা ◈ তরুণদের মধ্যে কোলন ক্যানসার বাড়ছে, দায়ী হতে পারে অন্ত্রের টক্সিন ‘কলিব্যাকটিন’ : কীভাবে রক্ষা পাওয়া যাবে জানালেন গবেষকেরা ◈ হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ◈ সেনানিবাসে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে তারেক রহমান: সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে গর্বিত জাতি ◈ নেইমার হেলিকপ্টারে রাজকীয় কায়দায় অনুশীলন ক্যাম্পে হা‌জির, বিশ্বকা‌পে খেলা নি‌য়ে  শঙ্কা ◈ আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশু মৃত্যু: তদন্ত শেষে কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশে কোরবানির চামড়া যাচ্ছে পানির দরে, হাজার কোটি টাকা কামাচ্ছে অন্য যে দেশ! ◈ ইরানকে সহযোগিতা করলে ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের! ◈ ঈদুল আজহায় বাংলাদেশকে মোদির শুভেচ্ছা: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত ◈ মাঝনদীতে ভয়াবহ ঝড়ে ৫০০ যাত্রী, তীরে উঠেই দিলেন সিজদা

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:৫২ দুপুর
আপডেট : ০৭ মে, ২০২৫, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে ইসরাইলি বীমা কোম্পানিগুলো

 ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় বীমা কোম্পানি বলেছে, গাজা যুদ্ধের কারণে তাদের ৬০ কোটি ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

ওই প্রতিষ্ঠান এক প্রতিবেদনে বলেছে: গত এক বছরে গাজা যুদ্ধের কারণে তাদেরকে হতাহত লোকদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২৪০ কোটি শেকেল (প্রায় ৬৪ কোটি ডলার) পরিশোধ করতে হয়েছে। পার্সটুডের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরাইলি বীমা কোম্পানিটি আরো বলেছে, বিগত এক বছরে ৭০ হাজার ইসরাইলি এই কোম্পানির দপ্তরগুলোতে এসে দাবি করেছে যে, তারা এই যুদ্ধে আহত হয়েছে।

ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় বীমা কোম্পানির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, গত এক বছরে ১২ হাজার ৫০০ ইহুদিবাদী এই কোম্পানির দপ্তরগুলোতে এসে দাবি করেছে, তারা স্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করেছে এবং এজন্য তাদের আজীবন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।  এসব ব্যক্তির মধ্যে ১১ হাজার ৭৬০ জন মানসিক পঙ্গুত্ব, ৫২৭ জন শারিরীক পঙ্গুত্ব এবং ৪৪১ জন শারিরীক ও মানসিক উভয় প্রকার পঙ্গুত্ব বরণ করেছে।

ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় বীমা কোম্পানির প্রতিবেদনে ধারনা করা হয়েছে যে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে শারিরীক ও মানসিক পঙ্গুত্ব বরণ করে আজীবন ক্ষতিপূরণের দাবিদার এরকম মানুষের সংখ্যা আরো কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

ইহুদিবাদী ইসরাইল গত বছরের সাত অক্টোবর থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরের নিরপরাধ ও নির্যাতিত ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যা শুরু করে।

গাজার স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, ইসরাইলি গণহত্যার শিকার হয়ে এ পর্যন্ত ৪১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ ও ৯৬ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। হতাহতের উল্লেখযোগ্য অংশই হচ্ছে নারী ও শিশু।

১৯১৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন দেশ থেকে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইহুদিদের অভিবাসনের মাধ্যমে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু হয় এবং ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অবৈধ রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকে ফিলিস্তিনি জনগণকে হত্যা এবং তাদের গোটা ভূখণ্ড দখল করার জন্য বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য গণহত্যা চালিয়েছে ইসরাইল।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বিশ্বের বহু দেশ ইহুদিবাদী ইসরাইলের পতন কামনা করে। এসব দেশ মনে করে, ইসরাইলে উড়ে এসে জুড়ে বসা ইহুদিবাদীদের উচিত এই অবৈধ ঔপনিবেশিক শাসন ত্যাগ করে নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়া। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়