জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তির’ আত্মপ্রকাশ হতে যাচ্ছে আজ রোববার। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘নারীশক্তির আত্মপ্রকাশ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। সূত্র: আজকের পত্রিকা
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নারীশক্তির আহ্বায়ক পদে থাকতে পারেন সামান্তা শারমিন অথবা মনিরা শারমিন। সদস্যসচিব হতে পারেন মাহমুদা মিতু এবং মুখ্য সংগঠক পদে থাকতে পারেন নুসরাত তাবাসসুম।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সামান্তা শারমিন জানান, নারীশক্তির নেতৃত্বে থাকার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এই সংগঠনের আহ্বায়কের পদ দেওয়া হলে তিনি সেটি প্রত্যাখ্যান করবেন। এর কারণ হিসেবে এ ধরনের সংগঠনগুলোতে নারীদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন থাকে না বলে অভিযোগ করেন।
সামান্তা বলেন, ‘আমি এমন কোনো সংগঠনে থাকতে চাই না, যেটা শুধু নারীদের নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার হয়। কোনো মিছিল সভা-সমাবেশ করতে হলে নারী কর্মীদের নিতে হয়, তাই এসব সংগঠন গড়ে তোলা হয়। আওয়ামী লীগ, বিএনপিতেও এমনটা হয়। সত্যিকারের নারী আন্দোলন বা নারীদের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এসব সংগঠনে হয় না।’
এ বিষয়ে মনিরা শারমিনের সঙ্গে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
তবে নারীশক্তির নেতৃত্বে যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে সামান্তা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম গত বছর ডিসেম্বরে দলের হয়ে নির্বাচনে নিষ্ক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপি নির্বাচনী ঐক্যের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তাঁরা এ ঘোষণা দেন। এরপর থেকে সামান্তা শারমিন দলে অনেকটা নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছেন। তবে নুসরাত তাবাসসুম নিষ্ক্রিয় থাকার ঘোষণা দিলেও তিনি পরবর্তীকালে তাঁর অবস্থান থেকে সরে আসেন। দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা গেছে তাঁকে।
অন্যদিকে, ঝালকাঠি-১ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল মাহমুদা মিতুর। জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী ঐক্য ঘোষণার পর তিনি জোটের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। জোটের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণাও চালান তিনি।
আর মনিরা শারমিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন।