শিরোনাম
◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা ◈ জামিন প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন, ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৫৪ দুপুর
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:০২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করলেন হতাহতদের পরিবার

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের সামনের সড়কে তারেক রহমান তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় তিনি হতাহত শিশুদের পরিবারের খোঁজখবর নেন। হতাহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের হাতে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্বলিত একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।

এক আহত শিশুর মা বলেন, আমাদের আহত সন্তানদের চিকিৎসার জন্য ৫ লাখ আর শহীদ শিশুদের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। একটা শহীদ শিশুর জীবনের মূল্য কি ২০ লাখ টাকা? অনেক শিশুদের অপারেশন করতে হচ্ছে। এখন বিমানবাহিনী সব সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে। হাসপাতালে আমাদেরকে বারবার যেতে হচ্ছে। ওখানেও আমরা নিগ্রহের শিকার হচ্ছি।

আরেক আহত শিশুর মা বলেন, আমার বাচ্চার বাবা নেই। মাইলস্টোনে বিমান হামলায় আহত হয়ে এখন ও হাঁটতে পারে না।

তারেক রহমান সবার কথা শোনার পর ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

হতাহত শিশুদের পরিবারের পক্ষে এক বাবা বলেন, আমরা যে দাবিগুলো নিয়ে এসেছি সেগুলো আমরা স্বারকলিপিতেই লিখে দিয়েছি। এতো অল্প সময়ে উনাকে মুখে বলা সম্ভব হয় নাই। মূলত এখানে আমাদের চার পাঁচটা মূল দাবি ছিল। এক নাম্বার দাবি হলো বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিশুদের শহীদ মর্যাদা দিয়ে গ্যাজেট প্রকাশ করা। আহত সন্তানদের আজীবন পুনর্বাসন এবং একটা হেলথ কার্ড করে দেয়া। যেটা সিএমএস থেকে আমাদের চাওয়া। স্মৃতি সংরক্ষণের জন্যে উত্তরাতে একটা মসজিদ বা মাদরাসার মতো কিছু একটা করা।

তিনি আরও বলেন, জয়নুল আবেদিন একটা রিট করেছিলেন সেই রিটের বাস্তবায়নটা চাই আমরা। এই হচ্ছে আমাদের দাবি। আমরা এটা স্মারকলিপি তারেক রহমানকে দিয়েছি। তিনি আমাদেরকে বলেছেন আসলে এখন যে পরিস্থিতি তাতে উনার সময় বের করতে সমস্যা হচ্ছে। হয়তো শিগগিরই উনি আমাদেরকে ডাকবেন এবং আমাদের সঙ্গে কথা বলবেন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়