শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ ◈ নতুন মোড় তনু হত্যা মামলায়, সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ০৭:৫৫ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঋণ পরিশোধ না করে হজ পালন করলে কি কবুল হবে?

ঋণ পরিশোধের নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পরও ঋণ পরিশোধ করেনি, কিন্তু হজ করতে যাচ্ছে, এই ব্যক্তির হজ কি শুদ্ধ হবে?

হ্যাঁ, হজ আদায় হবে। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণ পরিশোধ না করে হজ করলে তার হজ শুদ্ধ হবে যদি হজের রোকন ও শর্তগুলো পরিপূর্ণভাবে আদায় করা হয়। হজে যে সম্পদ ব্যয় হয়, ওই সম্পদের উৎসের সঙ্গে বা ঋণগ্রস্ত হওয়ার সঙ্গে হজের শুদ্ধতার কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত এবং ঋণ পরিশোধ করলে হজ করার সামর্থ্য থাকবে না, তার ওপর হজ ফরজ নয়। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে তার কর্তব্য হলো আগে ঋণ পরিশোধ করা, তারপর সামর্থ্য থাকলে হজ করা।

ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকলে ঋণ পরিশোধের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই বা নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ করা জরুরি। ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকার পরও ঋণ পরিশোধ করতে গড়িমসি করা জুলুম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— ‘ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সক্ষম ব্যক্তির টালবাহানা করা অত্যাচারের শামিল।’ (মুসলিম ৩৮৫৬)

দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকার পরও ঋণ পরিশোধ না করলে পরকালে নিজের আমল দিয়ে এবং ঋণদাতার গুনাহের বোঝা নিজের কাঁধে নিয়ে ওই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বান্দার হক আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। আল্লাহর পথে শাহাদাত বরণ করলেও ঋণ মাফ হয় না। নবীজি (সা.) বলেছেন—

‘আল্লাহর পথে জীবন উৎসর্গকারী শহীদের সব পাপ ক্ষমা করা হলেও অপরিশোধিত ঋণ ক্ষমা করা হয় না।’ (মুসলিম ৪৯৯১)

আরেকটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— ‘কারো উপর তার ভাইয়ের কোনো দাবি থাকলে সে যেন তা থেকে মুক্ত হয়। কারণ কেয়ামতের দিন পাওনা পরিশোধের জন্য টাকা-পয়সা থাকবে না। তখন অন্যায়ের সমপরিমাণ সওয়াব পাওনাদারের জন্য নিয়ে নেওয়া হবে। সওয়াব না থাকলে পাওনাদারের গুনাহগুলো তার উপরে চাপিয়ে দেওয়া হবে।’ (বুখারি ৬৫৩৪)

তাই ঋণ পরিশোধ করা নিয়ে হেলাফেলা করা কোনো মুসলমানের কাজ হতে পারে না। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ঋণ পরিশোধকে হজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়