শিরোনাম
◈ আলমারি ভর্তি রুপি মিলল সরকারি কর্মকর্তার বাড়িতে ◈ আহসান এইচ মনসুরকে সরানো নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী ◈ বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন ঘিরে ইসির বিশেষ আদেশ ◈ এবার নগদে বিনিয়োগ নিয়ে ব্যারিস্টার আরমান যা বললেন ◈ পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী ◈ কম্পিউটার অপারেটর থেকে শিক্ষা অফিসার, বিতর্কিত পদোন্নতি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ নতুন দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি দেখে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের ওপর হামলা, সড়কে অবস্থান (ভিডিও) ◈ নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:২৪ বিকাল
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পিটিআই নেতৃত্বের তীব্র সমালোচনা ইমরান খান এর বোনদের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোনেরা পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতৃত্বকে ‘সম্পূর্ণ নীরবতা’, রাজনৈতিক ও আইনগত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতি এবং তাদের ভাইকে মুক্ত করার জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য কঠোর সমালোচনা করেছেন।

ইমরান খানের বোন আলিমা খান ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, ‘বারিস্টার গোহর আলি খান, লতিফ খোসা এবং বারিস্টার আলী জাফর কোথায়? তারা কেন মামলাগুলো অনুসরণ করছেন না?’ এ সময় আলিমা খানের সঙ্গে তার বোন উজমা খান ও নুরিন খান উপস্থিত ছিলেন।

ইমরানের বোনেরা পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার মামলা সংক্রান্ত তথ্য জানতে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে যান। খাইবার পাখতুনখোয়া মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদিও হাইকোর্টে যান এবং প্রধান বিচারপতি সরফরাজ দগারের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন।

ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া ৭৩ বছর বয়সি ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে জেলে আছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, যা তিনি বলেন তার বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক প্ররোচিত’।

ইমরানের স্বাস্থ্যের অবস্থা বর্তমানে সরকারের ও পিটিআই এবং টিটিএপি জোটের বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। সর্বোচ্চ আদালতে তার আইনজীবী এবং বারিস্টার সালমান সফদার কর্তৃক জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এ বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাকে সোমবার রাতের দিকে ইসলামাবাদে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তার চোখের চিকিৎসার জন্য দ্বিতীয় ডোজ অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইন্ট্রাভিট্রিয়াল ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে।

আলিমা খান বলেন, তার ভাই এখনও জাতীয় রাজনীতির এবং নিজ দলের কেন্দ্রবিন্দু। তার ভাষ্য, ‘তিনি (ইমরান) আমাদের ভাই এবং রাজনীতি তার চারপাশে ঘোরে। আমরা আমাদের ভাইয়ের জন্য কথা বলব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি যা-ই করুক না কেন।

উজমা খান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক সময় তারা নিজের ভাইয়ের মামলার পরিস্থিতিও জানেন না।

আলিমা খান অভিযোগ করেন, পিটিআই-এর আইনজীবীরা সংসদ সদস্য হয়ে গেছেন এবং স্বীকার করেছেন যে ভোট মূলত দলের প্রতিষ্ঠাতার। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভাই বারবার আইনজীবীদের মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু পার্টি চেয়ারম্যান বা আইনজীবীরা কোনো মামলা রেজিস্টার করতেও ব্যর্থ হয়েছেন এবং কোথাও দৃশ্যমান নয়।’

তিনি আরও বলেন, পার্টি নেতা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, পরিবারের সঙ্গে কোনো তথ্য শেয়ার না করে। খানের জীবনকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও নেতৃত্ব নাকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। কিন্তু পরিবারের সঙ্গে তথ্য ভাগ করছেন না।

আলিমা বলেন, ‘যদি পরিবারকে সন্তুষ্ট ও তথ্য দেওয়া হতো, পরিস্থিতি আরও ভালো হতো।’ তিনি বারিস্টার গোহরের কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন এবং উল্লেখ করেন যে, সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টে মামলা ঠিক করার ক্ষেত্রে তিনি (গোহর) ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সামাজিক মিডিয়া ব্যবহারকারী এবং সাধারণ মানুষ সবাই জানে কে দেশদ্রোহী এবং পরিবার সম্পূর্ণ তথ্য জানে। তার দাবি, সরকারি ডাক্তারদের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় পরিবারের ডাক্তারদের উপস্থিতি থাকা উচিত। তারা চান পার্টি এখনই পদক্ষেপ নিক।

আলিমা বলেন, পরিবার জানল যে গোহর জেলে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন এবং এ নিয়ে তথ্য তারা কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর থেকে পাবেন নাকি পার্টির থেকে তা পরিষ্কার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, খানের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত তার পরামর্শ ব্যতীত নেওয়া যাবে না এবং নেতৃত্বকে নীরব থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে।

সূত্র: জিও নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়