শিরোনাম
◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:১১ বিকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনায় তাড়াহুড়ো কেন, প্রশ্ন সিপিডির 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে অন্তর্বর্তী সরকার কেন তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এই উদ্যোগ কার স্বার্থ রক্ষা করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিডি জানায়, পর্যাপ্ত আলোচনা ও বিশেষজ্ঞ মতামত ছাড়াই এই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এতে নীতিনির্ধারণে আমলাদের দৃষ্টিভঙ্গিই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এমন তাড়াহুড়োর কারণ এবং এর পেছনের স্বার্থ কী তা স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

সিপিডির মতে, প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনাটি নির্বাচিত সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ কারণে অন্তর্বর্তী সরকারকে খসড়া পরিকল্পনাটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
সিপিডি জানায়, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে প্রায় ৭০ হাজার ৫১২ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৪৫ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলএনজি থেকে। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে এই হার কমিয়ে ২৯ শতাংশে নামানো হবে। একই সময়ে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৭ শতাংশ থেকে কমে ১ শতাংশে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মহাপরিকল্পনায় ২৪ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি, ২০৫০ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৩২ গিগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সিপিডির পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২০৪০ সালের আগে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের স্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। তাছাড়া এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ২০৫০ সালের মধ্যে জ্বালানি খাতে প্রায় ৭০ থেকে ৮৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন পড়বে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের প্রয়োজন ধরা হয়েছে ১০৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। এ পরিমাণ টাকা কোত্থেকে কিভাবে আসবে সেটিরও রূপরেখা স্পষ্ট করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়