শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:১১ বিকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনায় তাড়াহুড়ো কেন, প্রশ্ন সিপিডির 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে অন্তর্বর্তী সরকার কেন তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এই উদ্যোগ কার স্বার্থ রক্ষা করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিডি জানায়, পর্যাপ্ত আলোচনা ও বিশেষজ্ঞ মতামত ছাড়াই এই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এতে নীতিনির্ধারণে আমলাদের দৃষ্টিভঙ্গিই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এমন তাড়াহুড়োর কারণ এবং এর পেছনের স্বার্থ কী তা স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

সিপিডির মতে, প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনাটি নির্বাচিত সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ কারণে অন্তর্বর্তী সরকারকে খসড়া পরিকল্পনাটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
সিপিডি জানায়, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে প্রায় ৭০ হাজার ৫১২ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৪৫ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলএনজি থেকে। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে এই হার কমিয়ে ২৯ শতাংশে নামানো হবে। একই সময়ে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৭ শতাংশ থেকে কমে ১ শতাংশে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মহাপরিকল্পনায় ২৪ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি, ২০৫০ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৩২ গিগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সিপিডির পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২০৪০ সালের আগে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের স্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। তাছাড়া এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ২০৫০ সালের মধ্যে জ্বালানি খাতে প্রায় ৭০ থেকে ৮৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন পড়বে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের প্রয়োজন ধরা হয়েছে ১০৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। এ পরিমাণ টাকা কোত্থেকে কিভাবে আসবে সেটিরও রূপরেখা স্পষ্ট করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়