নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে গোপালদীর রামচন্দ্রদী হাফিজিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের লুকিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে অন্তত ১০টি মোবাইল ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটে।
মাদরাসার একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিতিতে রবিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদরাসা প্রাঙ্গণে প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ হাতুড়ি দিয়ে মোবাইলগুলো ভাঙেন। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে তা ভাইরাল হয়ে যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ বলেন, মাদরাসার নিয়ম অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। কেউ মোবাইলসহ ধরা পড়লে তা ভেঙে ফেলা এবং শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের বিধান রয়েছে। ভর্তির সময়ই এই নিয়ম অভিভাবকদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়।
তিনি জানান, এর আগেও কয়েক দফা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোবাইল জব্দ করা হয়েছিল। তখন অভিভাবকদের জানালে তারা মোবাইল ভেঙে ফেলার সম্মতি দেন।
মাদরাসার সভাপতি মো. মুছা মিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি মাদরাসার প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি রেজুলেশন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এ ঘটনা পর্যালোচনার জন্য আগামী শনিবার একটি সভা ডাকা হয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুর রহমান বলেন, আমি এই ঘটনা সম্পর্কে অবহিত না। বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তথ্যসূত্র: দেশ রূপান্তর