শিরোনাম
◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন ◈ হামে ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৬১০, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর ◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি

প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪৪ সকাল
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক যুগ পর শ্রীপুর সাফারি পার্কে সফল প্রজনন করল গ্রে ক্রাউনক্যান

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে এক যুগ পর উগান্ডার জাতীয় পাখি গ্রে ক্রাউনক্যান সফলভাবে বাচ্চা ফুটিয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে এ পাখির এটি প্রথম সফল প্রজনন, যা পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ আনন্দের বিষয়।

পার্কের ক্রাউন ধনেশ অ্যাভিয়ারিতে জন্ম নিয়েছে বাচ্চাটি। বেশ কিছু দিন আগে ডিম থেকে ফুটলেও মা–বাবা পাখি নিরাপত্তার জন্য ছানাকে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল। এখন মা, বাবা ও ছানাকে একত্রে বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে।

সাফারি পার্কের ওয়াইল্ডলাইফ সুপারভাইজার সরোয়ার হোসেন খান জানান, ২০১৩ সালে আফ্রিকার উগান্ডা থেকে আনা হয় গ্রে ক্রাউনক্যানের এই জুটি। এর আগেও কয়েক দফা ডিম পাড়লেও বাচ্চা টিকেনি। এবারই প্রথম সফলভাবে ছানা ফুটেছে। তিনি বলেন, ‘এটি পার্কের জন্য আনন্দের খবর। মা–বাবা ও ছানাটিকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।’

গ্রে ক্রাউনক্যান পাখি বুদ্ধিমান ও সুর নকল করতে সক্ষম হওয়ায় পৃথিবীজুড়ে তাদের আলাদা পরিচিতি রয়েছে। এরা আজীবন এক সঙ্গীর সাথেই থাকে এবং সাধারণত ২-৫টি ডিম পাড়ে। ২৮ থেকে ৩১ দিনের মধ্যে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে।

সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান বলেন, ‘এটি পার্কের জন্য বড় অর্জন। আমরা ছানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। আশা করছি বাচ্চাটি ভালোভাবে বেড়ে উঠবে।’

পার্কে কর্মরতরা জানান, দুপুরের দিকে মা–বাবা পাখির মাঝে ছানাটিকে হাঁটতে দেখা যায়, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। বর্তমানে নির্দিষ্ট স্থানের চারপাশে বেড়া দিয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে, যাতে রাজকীয় এই পাখির পরিবার নিরাপদ থাকে।

সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়