শিরোনাম
◈ মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়াল বিআরটিএ, শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর ◈ লন্ডনে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে হুলিয়া, ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন সিদ্ধান্ত, ১ নভেম্বর ওয়েবসাইট নিবন্ধন শুরু হলেও জাহাজ চলবে ৩-৪ নভেম্বর থেকে ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল বিজয়ী ◈ সরকারি কর্মচারীদের বাসা সাবলেট বন্ধের নির্দেশ, ভাড়াটিয়া সরানোর শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ◈ সাঁতারে দ্বিতীয় দি‌নে ৮ রেকর্ড ◈ আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে শেখ হাসিনার আবেদন ◈ কর্ণফুলী নদীতে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল-স্টেইড সেতু ◈ যান্ত্রিক ত্রুটি সারানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান ◈ প্রথম সেটে ধাক্কা, ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সোনা জয়

প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ০৮:৪৯ রাত
আপডেট : ১৯ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪ দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামছে এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীরা

সদ্য প্রকাশিত ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে নজিরবিহীন ধসের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন অকৃতকার্য ও আশানুরূপ ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রধান চার দফা দাবিতে আগামী রোববার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে গণজমায়েত করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে।

চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত ২১ বছরে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭.৭৪ শতাংশ। শুধু পাসের হার নয়, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিসহ ফলের সব সূচকেই এবার ব্যাপক ধস নেমেছে। এই ফল বিপর্যয়ের পরই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেন। তবে আন্দোলনের মূল আয়োজকদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো জানা যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।

​শিক্ষার্থীদের ৪ দফা দাবি:

শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত প্রধান চার দফা দাবি হলো:

Advertisement

১. সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা: ফল খারাপ হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার আয়োজন করা।

২. খাতা পুনর্মূল্যায়ন: বোর্ড চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে কেবল খাতা পুনর্নিরীক্ষণ নয়; বরং খাতার পূর্ণাঙ্গ পুনর্মূল্যায়ন করা এবং ১০০ নম্বরের সকল অংশ (এমসিকিউ, সিকিউ, প্র্যাকটিক্যাল) রিচেক করা।

৩. নম্বর বিভাজন প্রদর্শন: ফেল করা বিষয়ের নম্বর সকল অংশসহ (এমসিকিউ, সিকিউ, প্র্যাকটিক্যাল) আলাদাভাবে মার্কশিটে প্রদর্শন করা।

৪. সম্মিলিত পাসের ব্যবস্থা: সিকিউ ও এমসিকিউ মিলিয়ে সম্মিলিতভাবে পাশের ব্যবস্থা চালু করা।

ফল বিপর্যয়ের চিত্র:

২০২৫ সালের এইচএসসির ফলে অধিকাংশ বোর্ডেই পাসের হার রেকর্ড পরিমাণে কমেছে।

• ​পাসের হার: ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ কম।

• ​সিলেট বোর্ড: এ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৮৬ শতাংশ, যা গতবারের চেয়ে প্রায় ২৪ শতাংশ কম।

• ​কুমিল্লা বোর্ড: সবচেয়ে কম পাসের হার দেখা গেছে এ বোর্ডে, ৪৮.৮৬ শতাংশ।

• ​কারিগরি বোর্ড: ফল ধসের রেকর্ড ছাড়িয়েছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার কমেছে ২৬ শতাংশেরও বেশি।

গ্রুপভিত্তিক ফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৮.৭২ শতাংশ, ব্যবসায় শিক্ষায় ৫৫.৫৮ শতাংশ এবং মানবিকে সবচেয়ে কম ৪৮.২৩ শতাংশ।

শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এই অস্বাভাবিক ফল বিপর্যয়ের কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যার প্রতিকার চেয়েই তারা এই আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। সূত্র: কালবেলা  

  • সর্বশেষ