শিরোনাম
◈ বৃহস্পতিবার মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রেখে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের ◈ ইসরাইলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ প্রবীণদের সুস্থ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার: ১৯ নভেম্বর আইসিজের ঐতিহাসিক রায় ◈ রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন রণধীর জয়সওয়াল ◈ আবেদনের চেয়েও ১ কোটি টাকা বেশি: বড়দিনে ৩ কোটি টাকা অনুদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ কারাগারে বসেই আয়, পরিবারের কাছেও টাকা পাঠাচ্ছেন বন্দিরা ◈ দালাল ছাড়াই বিনা খরচে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতালি যাওয়ার সুযোগ ◈ ক্রিকেট থে‌কে অ‌স্ট্রেলিয়ান গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বিদায়

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:২০ রাত
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সঞ্চয়পত্র নয়, পুঁজিবাজারে আসুন: গভর্নর

আব্দুর রউফ তালুকদার

মনজুর এ আজিজ : সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ না করে পুঁজিবাজারে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। তিনি বলেন, এই উদ্দেশ্যেই সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমানো হয়েছে। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ আর এখন আকর্ষণীয় নয়। তাই আমি চাই, মানুষ সঞ্চয়পত্র না কিনে পুঁজিবাজারে আসুক। তাহলে দেশের উদ্যোক্তরা সেই টাকা নিয়ে ব্যবসা করতে পারবে। ঋণখেলাপি কম হবে।

সোমবার বিকেলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিএসইসির প্রধান কার্যালয়ের এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোর নেপথ্যের কারণ তুলে ধরে গভর্নর বলেন, আগে সঞ্চয়পত্র ইচ্ছামতো কেনা যেত। দেখা যেত, একজন এক ব্যাংক থেকে ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছে। আবার আরেক ব্যাংকে গিয়ে ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনছে। এভাবে সঞ্চয়পত্রে টাকা ঢুকে যাওয়ার একটি ট্রেন্ড ছিল। কিন্তু সঞ্চয়পত্রের যে হাই ইন্টারেস্ট রেট সেটা কিন্তু আমরা জনগণের করের টাকা থেকে দিচ্ছি। পরে আমরা এটা অটোমেশন করি। আবার ধাপে ধাপে সুদের হার কমিয়ে আনি।

তিনি বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে যে সহায়তা করা দরকার, সেটা আমি আরও বেশি অনুভব করেছি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার পরে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে যেটা বড় সমস্যা, সেটা হচ্ছে খেলাপি ঋণ। এই ঋণ খেলাপি বেড়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে। এর মধ্যে একটি বড় কারণ হচ্ছে ব্যাংকগুলো স্বল্প সময়ের জন্য আমানত নিয়ে বেশি সময়ের জন্য ঋণ দিচ্ছে। ফলে ব্যাংকগুলো যেমন বিপদে পড়ছে, তেমনি উদ্যোক্তারাও।

কোম্পানিগুলো যখন ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়, তখন তাদের মাসে মাসে সুদ দিতে হয়। কিন্তু কোম্পানিগুলো যদি বন্ডের মাধ্যমে টাকা তোলে, তাহলে বছরে একবার সুদ দিলেই চলে। ফলে বাংলাদেশে যদি বড় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠে তাহলে একদিকে যেমন ব্যাংকের জন্য ভালো হবে, আবার কোম্পানিগুলোর জন্যও ভালো হবে।

উল্লেখ্য সোমবার থেকে বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ। চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

  • সর্বশেষ