শিরোনাম
◈ এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি ◈ লাখো আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠাতে কঠোর পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের ◈ সরোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনে বাধা নেই, জামায়াতের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ ◈ ছুটি শেষে ফিরেই দুঃসংবাদ: আমিরাতে হঠাৎ ভিসা বাতিলের আতঙ্ক, বিপাকে হাজারো বাংলাদেশি প্রবাসী ◈ মডেল স্নিগ্ধা কে নিয়ে যা বললো শাহরিয়ার নাজিম জয়(ভিডিও) ◈ কাঁচাবাজার স্থানান্তর নয়, কারওয়ান বাজারেই আধুনিক শপিং মল ও আড়ত চান ব্যবসায়ীরা ◈ টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়াতে পারে আইসিসি ◈ ডলার নয়, ভারতীয় রুপিতে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চায় রাশিয়া ◈ ভারতের দায়িত্ব ছাড়লেন সহকারী কোচ ডেসকাট, যুক্ত হচ্ছেন কলকাতা নাইটরাইডা‌র্সে ◈ কর্ণফুলী টানেলে চার রাতের জন্য বদলাচ্ছে যান চলাচলের নিয়ম

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:২০ রাত
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সঞ্চয়পত্র নয়, পুঁজিবাজারে আসুন: গভর্নর

আব্দুর রউফ তালুকদার

মনজুর এ আজিজ : সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ না করে পুঁজিবাজারে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। তিনি বলেন, এই উদ্দেশ্যেই সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমানো হয়েছে। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ আর এখন আকর্ষণীয় নয়। তাই আমি চাই, মানুষ সঞ্চয়পত্র না কিনে পুঁজিবাজারে আসুক। তাহলে দেশের উদ্যোক্তরা সেই টাকা নিয়ে ব্যবসা করতে পারবে। ঋণখেলাপি কম হবে।

সোমবার বিকেলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিএসইসির প্রধান কার্যালয়ের এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোর নেপথ্যের কারণ তুলে ধরে গভর্নর বলেন, আগে সঞ্চয়পত্র ইচ্ছামতো কেনা যেত। দেখা যেত, একজন এক ব্যাংক থেকে ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছে। আবার আরেক ব্যাংকে গিয়ে ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনছে। এভাবে সঞ্চয়পত্রে টাকা ঢুকে যাওয়ার একটি ট্রেন্ড ছিল। কিন্তু সঞ্চয়পত্রের যে হাই ইন্টারেস্ট রেট সেটা কিন্তু আমরা জনগণের করের টাকা থেকে দিচ্ছি। পরে আমরা এটা অটোমেশন করি। আবার ধাপে ধাপে সুদের হার কমিয়ে আনি।

তিনি বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে যে সহায়তা করা দরকার, সেটা আমি আরও বেশি অনুভব করেছি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার পরে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে যেটা বড় সমস্যা, সেটা হচ্ছে খেলাপি ঋণ। এই ঋণ খেলাপি বেড়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে। এর মধ্যে একটি বড় কারণ হচ্ছে ব্যাংকগুলো স্বল্প সময়ের জন্য আমানত নিয়ে বেশি সময়ের জন্য ঋণ দিচ্ছে। ফলে ব্যাংকগুলো যেমন বিপদে পড়ছে, তেমনি উদ্যোক্তারাও।

কোম্পানিগুলো যখন ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়, তখন তাদের মাসে মাসে সুদ দিতে হয়। কিন্তু কোম্পানিগুলো যদি বন্ডের মাধ্যমে টাকা তোলে, তাহলে বছরে একবার সুদ দিলেই চলে। ফলে বাংলাদেশে যদি বড় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠে তাহলে একদিকে যেমন ব্যাংকের জন্য ভালো হবে, আবার কোম্পানিগুলোর জন্যও ভালো হবে।

উল্লেখ্য সোমবার থেকে বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ। চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়