শিরোনাম
◈ ইরান যুদ্ধ ঠেকাতে মাঠে চীন-পাকিস্তান, ৫ দফা পরিকল্পনা প্রকাশ ◈ সংবিধান সংশোধন বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব ◈ সিঙ্গাপু‌রের কা‌ছে এক গো‌লে হে‌রে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করলো বাংলাদেশ ◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী ◈ সেবা না পেয়ে বেশ কিছু শিশু মারা গেছে, বাংলাদেশের হাসপাতালে আইসিইউ এবং ভেন্টিলেশন সেবা কতটা আছে?  ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৪:৩২ দুপুর
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৪:৩২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কেরানীগঞ্জে বাবা-ছেলে হত্যার ৩০ বছর পর ফাঁসির আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: [২] ১৯৯৩ সালে কেরানীগঞ্জে বহুল আলোচিত বাবা ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. আরিফ ওরফে সরিফুল ইসলামকে (৫২) অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

[৩] বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

[৪] শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, আরিফ বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় গিয়ে নাম ও পরিচয় গোপন করে সরিফুল নামে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেন এবং ঢেউটিন ফ্যাক্টরিতে কাজ নেন। ফ্যাক্টরিটি বন্ধ হলে মুদি ও লন্ড্রি দোকানের ব্যবসা করছিলেন। সেইসঙ্গে আরিফ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। ১৯৯৩ সালের ১৩ জুলাই কেরানীগঞ্জের মালোপাড়া বারিশুর বাজারে মুদি ব্যবসায়ী শরিফুল ও তার ছেলেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে আরিফ সহ সন্ত্রাসীরা। বাবা-ছেলের হত্যার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। 

[৫] তিনি  আরও বলেন, হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৯৯৪ সালের ২৬ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ঘটনার পর থেকে আরিফ বেনামে পলাতক জীবন বেছে নেন। পরে ২০০৪ সালের ২১ জুলাই আদালত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আরিফসহ ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। র‌্যাব পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় পলাতক আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্পাদনা: তারিক আল বান্না

প্রতিনিধি/টিএবি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়