শিরোনাম
◈ মির্জা ফখরুলকে দেখেই দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ ১০ দলীয় জোটে ভাঙন: ইসলামী আন্দোলন সরে দাঁড়ানোয় ৪৭ আসনে সমঝোতার নতুন হিসাব ◈ শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকের বৈঠক নিয়ে মুখ খুলল ভারত ◈ বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার অস্তিত্বকে ধারণ করতে হবে: আসিফ নজরুল ◈ নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলার তৎপরতা পর্যাপ্ত নয়: আসিফ মাহমুদ ◈ শরিয়াহ আইনের দিকে যাবে না জামায়াত, অবস্থান বদল নাকি ভোটের কৌশল? ◈ রাষ্ট্রের কাছে যা চাইলেন শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী ◈ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ও ইসরাইলের নেতাদের ফোন করলেন পুতিন ◈ ঋণ কেলেঙ্কারি: ক্ষতির বোঝা সাধারণ আমানতকারীর ঘাড়ে ◈ ছাত্রদল কর্মীকে হত্যার ঘটনায় দম্পতি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৪:৩২ দুপুর
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৪:৩২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কেরানীগঞ্জে বাবা-ছেলে হত্যার ৩০ বছর পর ফাঁসির আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: [২] ১৯৯৩ সালে কেরানীগঞ্জে বহুল আলোচিত বাবা ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. আরিফ ওরফে সরিফুল ইসলামকে (৫২) অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

[৩] বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

[৪] শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, আরিফ বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় গিয়ে নাম ও পরিচয় গোপন করে সরিফুল নামে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেন এবং ঢেউটিন ফ্যাক্টরিতে কাজ নেন। ফ্যাক্টরিটি বন্ধ হলে মুদি ও লন্ড্রি দোকানের ব্যবসা করছিলেন। সেইসঙ্গে আরিফ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। ১৯৯৩ সালের ১৩ জুলাই কেরানীগঞ্জের মালোপাড়া বারিশুর বাজারে মুদি ব্যবসায়ী শরিফুল ও তার ছেলেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে আরিফ সহ সন্ত্রাসীরা। বাবা-ছেলের হত্যার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। 

[৫] তিনি  আরও বলেন, হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৯৯৪ সালের ২৬ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ঘটনার পর থেকে আরিফ বেনামে পলাতক জীবন বেছে নেন। পরে ২০০৪ সালের ২১ জুলাই আদালত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আরিফসহ ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। র‌্যাব পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় পলাতক আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্পাদনা: তারিক আল বান্না

প্রতিনিধি/টিএবি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়