স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না টেকনাফের এনামুল হক কায়েস। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি। হ্নীলার একটি বনফুলের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। প্রায় ১০ দিন আগে হঠাৎ নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে সেন্টমার্টিন উপকূল থেকে নৌবাহিনীর উদ্ধার করা ৭৬ জনের তালিকায় তাকে পাওয়া যায়। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
পরিবারের দাবি, কায়েসকে অপহরণের পর পাচারের উদ্দেশ্যে দালালদের কাছে বিক্রি করা হয়েছিল। পরে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টা করা হয়। কায়েসের মতো টেকনাফের আরও কয়েকজন তরুণকে অপহরণের পর সাগরপথে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আয়াত উল্লাহ, মো. জয়নাল ও ওয়াকিব উল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক সংগ্রহের পাশাপাশি পাচারের জন্য মানুষ জোগাড় করতে অপহরণকেও কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে সংঘবদ্ধ পাচার চক্র।
মূলত এই সময়ে সাগরে পানি কম থাকায় অর্থাৎ শান্ত হওয়ায় টেকনাফ উপকূলে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে মানবপাচারকারীরা। গত এক সপ্তাহে টেকনাফের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকা থেকে সাগরপথে পাচারের সময় রোহিঙ্গাসহ অন্তত দেড় শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় আটক করা হয়েছে অন্তত ১৫ জন দালালকে। মেরিন ড্রাইভের প্রায় ৮০ কিলোমিটার উপকূলের অরক্ষিত ঘাট ও দুর্গম এলাকাগুলো ব্যবহার করে চলছে এই তৎপরতা। অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং পরে সাগরপথে পাচারের এই চক্রে এবার প্রতিবন্ধী কিশোরও রেহাই পাচ্ছে না।
প্রতিবন্ধী কিশোরও অপহরণের শিকার
কায়েসের বাবা আহমুদুল রহমান বলেন, ‘আমার ছেলে প্রতিবন্ধী। সে-ই ছিল আমাদের পরিবারের একমাত্র আয়-রোজগারের ভরসা। একদিন দোকানদার ফোন করে জানতে চান, ছেলে বাড়িতে ফিরেছে কি না। তখন বুঝতে পারি, সে নিখোঁজ হয়েছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের সন্ধান পাইনি। পরে জানতে পারà