শিরোনাম

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২২, ১০:৫৬ রাত
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৮:১৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি'র ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া 

ফয়সাল চৌধুরী, কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৩০নভেম্বর) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার তারাগুনিয়া বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা সংঘর্ষের সময় ওই এলাকার আতংক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময়ে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে বাজারের দোকানপাট সব বন্ধ করে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে উপজেলা ছাত্রদল তারাগুনিয়া খামারবাড়ীতে ছাত্রদলের কর্মী সমাবেশ আয়োজন করে। দৌলতপুর উপজেলা ছাত্রদল সমাবেশে যোগদান করার জন্য উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা তারাগুনিয়া বাজারে এলাকায় জড়ো হতে থাকে। ওই সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সরকার বিরোধী স্লোগান দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীরা বাধা দেয়। আওয়ামী লীগ কর্মী ও ছাত্রদল কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এরপর ছাত্রদল কর্মী ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এতে একজন ছাত্রদল কর্মী আহত হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে সমাবেশস্থলে থাকা ছাত্রদল কর্মীরা গিয়ে আওয়ামী লীগ কর্মীদের উপর হামলা চালায়। তখন দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টে দেওয়া শুরু হয়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।

দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আতিয়ার রহমান জানান, তারাগুনিয়া  থানার মোড়ের দিকে বিএনপি কর্মসূচি ছিল। এ সময় অশ্লীল ভাষায় ব্যবহার করে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল বিএনপি কর্মী সমর্থকরা। এ সময় বাজারে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সমর্থকরা তার প্রতিবাদ করলে গন্ডগোল শুরু হয়। ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে তিনজন আওয়ামী লীগ কর্মী আহত হয়েছেন।

কুষ্টিয়া ১ দৌলতপুর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রেজা আহমেমদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, ছাত্রদলের কর্মী সমাবেশে অংশগ্রহণ করতে আসা কয়েকজন ছাত্র কর্মীর উপর অতর্কিত হামলা চালায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। তারা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জিহাদ নামে এক ছাত্রদল কর্মীর হাত ভেঙে দেয় এবং দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। মূলত ছাত্রদলের কর্মী সমাবেশ পন্ড করার জন্য পরিকল্পিতভাবে তারা হামলা চালিয়েছে। এতে চার জন ছাত্রদল কর্মী আহত হয়েছে।

দৌলতপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, কোন সংঘর্ষ হয়নি। তবে দুই পক্ষের মধ্যেও কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করেছিল পুলিশ সেখানে গিয়ে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেয়।

প্রতিনিধি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়