শিরোনাম
◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল ◈ তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর পর আত্মগোপনে দিশা, যেভাবে হলেন গ্রেপ্তার ◈ পোশাকের বাইরে রফতানিতে চমক দেখাচ্ছে বাংলাদেশের 'চুল' ◈ সোমবার থেকে ঢাকাসহ ১৩ সিটিতে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু ◈ শ্রমিক বিক্ষোভে বন্ধ ৩১৮ কারখানা, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক ◈ ছাত্রজীবনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে, চাকরিতে নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে পারলেই দেশের সাফল্য সম্ভব: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৮ রাত
আপডেট : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাজেকে টানা দুই দিন গোলাগুলি, আতঙ্কে স্থানীয়রা

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির সাজেকে ফের জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। 

রোববার (১ নভেম্বর) বিকাল ৪টা থেকে প্রায় ৫টা পর্যন্ত সাজেকের ঝুরঝুরি ছড়ার লাঙ্গলমারা এলাকায় দুগ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে দুর্গমতার কারণে এতে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

এর আগে শনিবার ওই দুটি গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসব গোলাগুলির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে, সাজেক পর্যটন সড়কে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন নামে স্থানীয় দুই সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি রোববার সকাল-সন্ধ্যা শিথিল করলেও এদিন পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটির ব্যানারে খাগড়াছড়ির অপর একটি সংগঠন পালটা অবরোধ ডাকে। এ অবরোধের প্রভাবে দুটি সংগঠনের শিথিলতা তেমনটা কার্যকর হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে কয়েকটি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চলাচল করলেও অন্য যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ ছিল। তবে সোমবার থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা। 

Advertisement

স্থানীয়রা জানান, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মধ্যে রোববার বিকালে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। শনিবারও সাজেকের মাচলং এলাকার দুর্গম কলাবুনিয়া ও ভাঙামুড়া নামক এলাকায় এ দুটি গ্রুপের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ফলে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে গোলাগুলিতে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে উভয়পক্ষ। 

ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেছেন, তাদের কেউ এ ধরনের গোলাগুলিতে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। 

একইভাবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেএসএসের কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেছেন, তাদের দলের কেউ এ ধরনের ঘটনায় জড়িত নন।

সাজেক ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য পরিচয় চাকমা জানান, সাজেকের ঝুরঝুরি ছড়া ও তার পাশে লাঙ্গলমারা সীমানা এলাকায় দুই সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ভুগছেন।

সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সোমবার বিকালে সাজেকের লাঙ্গলমারা এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে বর্তমানে এ গোলাগুলি থেমে গেছে।

তিনি আরও বলেন, খাগড়াছড়িতে একটি সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে কয়েকটি হালকা যানবাহন চলাচল করলেও ভারী যানবাহন চলাচল করেনি।

এদিকে পাঁচ দফা দাবিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ১১তম দিন রোববার সকাল-সন্ধ্যা শিথিল করলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি নামে একটি শ্রমিক সংগঠনের ডাকা অবরোধের প্রভাবে শিথিলতা কার্যকর হয়নি।

তবে সংগঠন দুটির নেতা বাবুধন চাকমা ও নতুনজয় চাকমা জানিয়েছেন, সোমবার থেকে আগের মতো সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহতভাবে চলতে থাকবে।