শিরোনাম
◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা

প্রকাশিত : ১১ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে কমেছে হামের গতি, ২৪ ঘণ্টায় নেই নতুন রোগী

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় (১০ জুলাই সকাল ৮টা থেকে ১১ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন কোনো সন্দেহভাজন হাম (মিজলস) রোগী শনাক্ত হয়নি। একই সময়ে হামে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেনি। দীর্ঘদিন ধরে চলমান হাম পরিস্থিতির মধ্যে এটি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলেও শিশুদের টিকাদান ও সতর্কতা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত ফরিদপুরে মোট ৩ হাজার ৫২৪ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ১০ জনের শরীরে হাম রোগের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।

এছাড়া চিকিৎসাসেবা নেওয়া রোগীদের মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৯৯৭ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ হাজার ৪০৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।

এদিকে, বর্তমানে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ২৭ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৪ জনসহ মোট ৭১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো নতুন রোগী ভর্তি হননি এবং কোনো রোগীকে ছাড়পত্রও দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

চিকিৎসারা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সহজেই অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারেন। সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শরীরে লালচে র‌্যাশ হামের প্রধান উপসর্গ। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু এবং অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, "গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত না হওয়া অবশ্যই ইতিবাচক দিক। তবে এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।

অভিভাবকদের অবশ্যই শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় হাম-রুবেলা টিকা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জ্বর, শরীরে লালচে র‌্যাশ বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।"

  • সর্বশেষ