শিরোনাম
◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৫ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার: মায়ের জবানবন্দিতে উঠে এলো হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর বর্ণনা

গত বুধবার (৮ জুলাই) রাতে খুলনার শহরতলির প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে নির্জনা নামের এক কিশোরীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন কিশোরীর মা খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের মর্গে মরদেহ শনাক্ত করেন এবং মেয়েটির স্বামী তাকে হত্যা করে থাকতে পারেন বলে ইঙ্গিত দেন। অথচ ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ঘটনার মোড় ঘুরে গেল সম্পূর্ণ ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে।

খুলনা সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আরফান হোসেন নির্জনা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিলেন তাঁর মা সীমা আকতার। আজ শুক্রবার খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইব্রাহীম খলিল মুহিম তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

থানার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগে সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করে।


হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সীমা আকতার আজকের পত্রিকাকে জানান, ঘটনার দিন বিকেলে মেয়ের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি মেয়েকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘরের ভেতর শোরগোল শুনে বাবা আলীম হোসেন আকাশ এসে তাঁদের উভয়কে চুপ করতে বলেন।


সীমা আকতারের ভাষ্য অনুযায়ী, মেয়ে চুপ না থাকায় একটি কাঠের চলা দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সীমা আকতার আরও জানান, এরপর বাবা ঘরের ভেতরে থাকা ছেঁড়া লুঙ্গি দিয়ে মুড়িয়ে লাশটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মোটরসাইকেলে বেঁধে নিরালার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় ফেলে রেখে যান।

সীমা আকতার জানান, গত ২১ এপ্রিল পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তেরখাদা উপজেলার আজগড়া এলাকার একটি ছেলেকে বিয়ে করায় নির্জনার ওপর তাঁরা ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিয়ের ১৭ দিন পর তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। গত বুধবার সকালে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার জন্য নির্জনা বাড়ি থেকে বের হয়। পরে তাকে বুঝিয়ে আবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

থানার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে নির্জনার বাবা মো. আলীম হোসেন আকাশ পলাতক রয়েছেন। তাঁর অবস্থান জানতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহত মেয়েটির মা সকালে স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্বীকারোক্তি দিতে চাইলে দুপুরের পর তাঁকে আদালতে নেওয়া হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে আগামীকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরবেন পুলিশ কমিশনার। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ