শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ২৬ জুন, ২০২৬, ০৯:২১ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেনাপোল বন্দরে কাগজ পত্র বিহীন ভারতীয় ট্রাক জব্দ

আজিজুল হক, বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের বেনাপোল বন্দরে কাগজ পত্র বিহীন একটি খোলবাহী পণ্য চালানের ভারতীয় ট্রাক জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ৯ টার দিকে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে বন্দরের ৩১ নাম্বার শেইয়ার্ড থেকে কাস্টমস এ পণ্যবাহী ট্রাকটি জব্দ করে।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, ভারতের একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান থেকে আমদানিকারক মেসার্স আরাফ এন্টারপ্রাইজের নামে সরিষার খৈলবাহী ট্রাক (নং- WB-25K-8415) গত ২৩ জুন রাত প্রায় ৯টায় বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। পরে ২৫ জুন সকালে কার্গো টার্মিনাল থেকে ট্রাকটি ৩৫ নম্বর শেডে খালাসের জন্য যাওয়ার তথ্য দেখিয়ে বের হয়।

অভিযোগ উঠেছে, ট্রাকটিতে থাকা অবৈধ পণ্য ৩১ নাম্বার ইয়াডে ঢোকার আগেই অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর বিকেল প্রায় ৪টার দিকে ট্রাকটি বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বন্দরের ৩১ নম্বর ইয়ার্ড (ফলের মাঠ) এলাকায় প্রবেশ করলে বন্দর ট্রাকটি আটকায়। পরে কাস্টমসকে অবহিত করলে বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার অটল গোস্বামীর উপস্থিতিতে ট্রাকটি তল্লাশি করা হয়। এ সময় ট্রাক থেকে ১৪০ বস্তা খৈল ও ৫০টি খালি বস্তা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পণ্যের মোট ওজন ৭ হাজার ১৫৭ কেজি এবং খৈলের নীট ওজন ৬ হাজার ৯১৩ কেজি পাওয়া যায়।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার অটল গোস্বামী জানান, ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ট্রাকটিতে ১০ টন ৯০ কেজি পণ্য থাকার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে পাওয়া গেছে ৬ হাজার ৯১৩ কেজি। ফলে ঘোষিত পরিমাণের তুলনায় ৩ হাজার ১৭৭ কেজি খৈলের ঘাটতি পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে পণ্য পাচারের সাথে জড়িত চক্রটি কৌশল করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে মেসার্স প্রত্যয় ইন্টারন্যাশনাল নাম ব্যবহার করেছে জানা গেছে। তবে সিঅ্যান্ডএফের পক্ষ থেকে তাদের নাম ব্যবহার করার প্রতিবাদ জানিয়ে লিখিতভাবে কাস্টমস, বন্দর ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পত্র দিয়ে অবগত করেছেন। সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান হ্যাপি এক আবেদনে দাবি করেন, তার প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে কে বা কারা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

ট্রাকটি কিংবা পণ্যচালান গ্রহণে তাদের কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী বা প্রতিনিধি জড়িত ছিলেন না। প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতিষ্ঠানকে যেন হয়রানি করা না হয়, সে অনুরোধও জানান তিনি।

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩১ নম্বর শেডের দায়িত্বরত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, মিথ্যা ঘোষণায় আমদানিকৃত পণ্যচালান সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কাস্টমসকে অবহিত করা হয়। পরে কাস্টমস ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে চালানটি জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে কাস্টমস, বন্দর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় কোনো চোরাচালান চক্র জড়িত আছে কি না, তাও অনুসন্ধান করছে কর্তৃপক্ষ।

  • সর্বশেষ