শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:৩০ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল: আবু সাঈদের বাবা

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার পরিবার। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তার বাবা মকবুল হোসেন রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তীব্র ক্ষোভ জানান।

দণ্ডপ্রাপ্তদের সংখ্যা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মকবুল হোসেন বলেন, বিচারে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অথচ অপরাধী ছিল আরও অনেকে। এই রায়ে আমি মোটেও সন্তুষ্ট নই; সবারই কড়া সাজা হওয়া উচিত ছিল।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

আবু সাঈদের বাবা বলেন, মাত্র দু'জন আসামিকে ফাঁসি দিয়ে মূল দোষী ও হত্যার নেপথ্যে পরিকল্পনাকারী এবং নির্দেশ দাতাদের সামান্য শাস্তি দেয়া হয়েছে। আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে, সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।

তিনি আরও বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদের সাথে সবচেয়ে বেশি খারাপ আচরণ করেছে এবং হত্যার পেছনে জড়িত। তাকে মাত্র ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল ।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুজ্জামান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন ও এসআই বিভূতি ভূষণ রায় ।

বাকি সাজা প্রাপ্তরা হলেন, বেরোবির শিক্ষক মশিউর রহমান ও শিক্ষক আসাদুজ্জামান মন্ডল, বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদ ও রংপুরের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামানের ১০ বছরের কারাদণ্ড । আর ডা. সারোয়াত হোসেন, সাবেক এডিসি আবু মারুফ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদণ্ড।

অন্যদিকে, বেরোবি ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান শামীম, সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বী, সহ-সভাপতি আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার ও দফতর সম্পাদক বাবুল হোসেনকে ৩ বছরের কারাদণ্ড।

 

  • সর্বশেষ