শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুর মেডিকেলে ডিবির হানা: দালাল চক্রের ১৫ সদস্য গ্রেপ্তার

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে সমন্বিত অভিযানে হাসপাতাল দু’টি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল চত্বরে রোগীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছিল। তারা চিকিৎসা সেবা সহজ করে দেওয়ার কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ভুয়া পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নির্দিষ্ট ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে কমিশন নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। বিশেষ করে দরিদ্র ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরাই তাদের প্রধান টার্গেট ছিল।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— মনি (৩১), রেহানা (৩২), রুমা (৫০), হেলেনা (৪২), মামুন (৩৮), রাকিব (২৫), ইব্রাহিম (৩৮), লিটন শেখ (২৯), রিপন শেখ (৪০), খোদেজা (৫৫), রাশেদা (৪৮), সৈয়দ ফেরদৌস আহমেদ রনি (৩৭), মিন্টু (৩০), মাসুদ হাসান (২৯) ও কাউসার হোসেন (২৬)। তাদের অধিকাংশই ফরিদপুরের কোতোয়ালি এলাকার বাসিন্দা, তবে কয়েকজন পাশ্ববর্তী জেলা থেকেও এসেছে বলে জানা গেছে।

ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আলমগীর হোসেন জানান, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি হাসপাতাল এলাকায় একটি সক্রিয় দালাল চক্র রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এরপরই অভিযান চালিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ১২ জন এবং জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।”

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা তাদের দালাল চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও সদস্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতাল এলাকায় দালালদের দৌরাত্ম্য ছিল। অনেক রোগী অভিযোগ করেছেন, দালালরা তাদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে এবং চিকিৎসা ব্যয়ের নামে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়। ফলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছিল।

এ অভিযানের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা আশা করছেন, নিয়মিত তদারকি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের ফলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে।

পুলিশ বলছে, হাসপাতাল এলাকায় দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। 

  • সর্বশেষ