শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা, প্রধান আসামিসহ জামায়াতের দুই নেতা গ্রেফতার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশ সদস্যদের মারধরের মামলায় প্রধান আসামিসহ আরও দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম। এর আগে শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।‎

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং উপজেলা জামায়াতের রোকন গোলজার রহমান (৩৪)।

এর আগে, একই মামলায় পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের ২ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি তৌহিদুল ইসলাম কানন এবং পৌর জামায়াতের সাবেক আমির ও উপজেলা পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশসহ কয়েকজন বিবদমান একটি দোকানের বিষয়ে অভিযোগপত্র নিয়ে পলাশবাড়ী থানায় যান। এ নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তর্কবিতর্ক হয়। পরে জামায়াত নেতা পলাশ থানার ওসিকে শহরের কালিবাড়ী বাজারে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত বিবদমান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করতে বলেন এবং চাপ প্রয়োগ করেন। বিষয়টি ইউএনও-এসিল্যান্ডের এখতিয়ারভুক্ত, ওসি এটা বন্ধ করতে পারবেন না জানালে ওই নেতা ও তার সঙ্গীরা ওসির ওপর চড়াও হন।

একপর্যায়ে ওসিকে মারধর করা হয়। এসময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়, এতে ওসি ও এক নারী কনস্টেবলসহ পুলিশের ৯ সদস্য আহত হন। এ ঘটনার পরদিন পলাশকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ।

গাইবান্ধা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। অন্য আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

  • সর্বশেষ