শিরোনাম
◈ আ‌মে‌রিকার প‌ক্ষে ইরানে পাল্টা হামলা চালালো কাতার, সৌ‌দি আরবও হামলার প্রস্তু‌তি নি‌চ্ছে ◈ ম্যাচ জিতেও বা‌র্সেলোনার বিদায়, ফাইনালে আতলেতিকো মা‌দ্রিদ ◈ ইরানে নতুন করে ইসরাইলের হামলা ◈ ফের কি রাজপথে নামছে এনসিপির নেতৃত্বে ছাত্ররা? ◈ এ‌শিয়ান কা‌পে খেলা নি‌য়ে ভারতীয় নারী ফুটবলে নজিরবিহীন বিতর্ক, দলকে পাঠানো হল ভুল জার্সি   ◈ বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফর্মেন্সের কার‌ণে এবার কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে আফগানিস্তান ◈ রপ্তানিমুখী খাতের জন্য ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড় দিয়েছে সরকার ◈ কাতার, কুয়েত, আমিরাত, জর্ডান ও ইরাককে সমর্থনে ভূমধ্যসাগরে রাফালসহ রণতরী পাঠাচ্ছে ফ্রান্স ◈ নারায়ণগঞ্জ বিসিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ মন্তব্যে অবরুদ্ধ এনসিপি এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন ◈ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা, স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৪ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৩০ সকাল
আপডেট : ০৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধুমতীর বুকে জেগে ওঠা বালুচর, গোপালগঞ্জে ‘মিনি সেন্টমার্টিন’ দেখতে ভিড় পর্যটকদের

মধুমতী নদীর বুক চিরে জেগে উঠেছে ধু ধু বালুচর। চারদিকে অথৈ জলরাশি, আর মাঝখানে এক চিলতে মরুভূমির মতো বিস্তৃত বালুর স্তর। নীল জল আর সোনালি বালুকাবেলার মিলনে তৈরি হয়েছে প্রকৃতির এক অন্যরকম মিতালি। মধুমতী নদীর এই রূপ দেখে কারও মনে হচ্ছে ‘মিনি সেন্টমার্টিন’, কেউ খুঁজে পাচ্ছেন কক্সবাজার বা কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের আমেজ।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর মাঠলা এখন যেন এক নতুন পর্যটন স্বর্গ। জেলা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই চরটি গত জানুয়ারি মাস থেকে নতুন রূপে দেখা দিচ্ছে। স্বল্প সময়ের জন্য জেগে ওঠা এই বালুচর এরইমধ্যে ভ্রমণপিয়াসী মানুষের নজর কেড়েছে।

তবে এই সৌন্দর্য স্থায়ী নয়, অনেকটা লুকোচুরি খেলার মতো। ভাটা শুরু হলেই কেবল দৃশ্যমান হয় চরটি। প্রায় দুই ঘণ্টা থাকে এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, এরপর জোয়ারের জলে আবার তলিয়ে যায় নদীগর্ভে। দিনে দুইবার; সকাল ও বিকেলে জেগে ওঠে এই ভূমি। আর সেই অল্প সময়টুকু উপভোগ করতেই প্রতিদিন এখানে ভিড় করছেন হাজারো মানুষ।

শুধু গোপালগঞ্জ নয়, আশপাশের নড়াইল, বাগেরহাট ও খুলনা জেলা থেকেও ছুটে আসছেন পর্যটকেরা। শিশু থেকে বৃদ্ধ; সব বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বালুচরটি। পর্যটকদের মতে, নদীর মাঝখানে এমন বিস্তৃত বালুচর আর স্বচ্ছ পানির সমাহার সচরাচর দেখা যায় না। মূল ভূখণ্ড থেকে ট্রলার বা নৌকাই এখানে পৌঁছানোর একমাত্র ভরসা, যা ভ্রমণের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

ঘুরতে আসা হাসিবুল সরকার বলেন, চরটি প্রায় দুই ঘণ্টা জেগে থাকে। তারপর আবার জোয়ারে তলিয়ে যায়। সময়মতো না আসলে দেখা সম্ভব হয় না। এটি দেখতেই মানুষের ভিড় বাড়ছে। জোয়ার-ভাটার খেলার চরটি যেন ‘মিনি সেন্টমার্টিন’ বা সৈকতের বালিয়াড়ির মতো লাগে।

চরটি দেখভালের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিনই বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা। স্থানীয় বাসিন্দা বিল্লাল সিকদার বলেন, আগে কখনও এখানে এত মানুষের ভিড় দেখিনি। চরটি জেগে ওঠার পর থেকেই প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ আসছেন।

আরেক বাসিন্দা মো. রাসেল মুন্সি জানান, বিকেলের দিকে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। জোয়ার-ভাটার সময়ের ওপর নির্ভর করেই মানুষ এখানে আসেন। এখন পুরো এলাকাই বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়