কাজী রাশেদ, চান্দিনা (কুমিল্লা) : লাইফ লাইনখ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার বিভিন্ন ধরণের যানবাহন চলাচল করছে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে কুমিল্লার অংশটি সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা। চালকদের অজ্ঞতা ও বেপরোয়ার ড্রাইভিং এর কারণে প্রতিদিন ছোট বড় দুর্ঘনা ঘটনা ঘটেই চলছে।
মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার গেইট এলাকায় প্রতিদিন যানজট লেগে থাকার পাশাপাশি প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা। এর কারণ হিসেবে চান্দিনা বাজারের নিত্যদিনের যানজটকে দায়ী করেছেন অভিজ্ঞ মহল।
তারা জানান, চান্দিনা বাসষ্ট্যান্ডটি চার উপজেলার ঢাকা, কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের যাত্রীদের মধ্যম ষ্টেশন। এছাড়া প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন পেশাজীবি লোকজন চান্দিনা বাজার দিয়ে চলাচল করতে হয়। কিন্তু চান্দিনা বাজারে পুরাতন সড়কটির উপর অবৈধ দোকান পাট, প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যাটারীচালিত এবং সিএনজি চালিত অটোরিকশা সড়কের উপর রাখায় দীর্ঘ যানজটের কারণে চান্দিনা বাজার হয়ে বাসষ্ট্যান্ডে রিকশা নিয়ে যেতে পারে না। এছাড়া চান্দিনা বাজার ষ্টেশনরোডটির উপর মাছ বাজারের কারণে সড়কটি ভেঙ্গে পানি জমে যাওয়ায় রিকশাতো দুরের কথা কেউ পায়েও হেঁটে যেতে পারছে না।
যার জন্য ঝুঁকি নিয়ে চান্দিনা উপজেলা গেইট হয়ে উল্টোপথে, ভাজ পথে অহরোহ ব্যাটারীচালিত এবং সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। এতে একদিকে ঘটছে দুর্ঘটনা অন্য দিকে লেগে থাকে মহাসড়কে যানজট। সচেতন মহলের ধারণা, চান্দিনা বাজার সড়কের অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে এবং ক্রেতাদের নিয়ে আসা মটর সাইকেলের জন্য আলাদা স্থান করা সহ সারা সড়কে পার্কিং করা রিকশাগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিলে মহাসড়ক দিয়ে কেউ বাস ষ্টেশনে আসা যাওয়া করবে না। ফলে দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পাবে সাধারণ জনগণ।
এব্যাপারে জানতে চাইলে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক জানান, জনস্বার্থে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চান্দিনা বাজারের সড়কের উপর সকল অবৈধ দোকানপাট তুলে দিব এবং মাছ বাজারটি অন্যত্র সরিয়ে নিব। এক সপ্তাহের মধ্যে সব দৃশ্যমান দেখবেন।