শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:১৯ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোলার চারটি আসনে ২৯ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ২১ প্রার্থী

ফরহাদ হোসেন, ভোলা প্রতিনিধি : সদ্য শেষ হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা জেলার চারটি আসনে ২৯ প্রার্থীর মধ্যে ইসলামি আন্দোলনে বাংলাদেশের তিন প্রার্থীসহ ২১ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। মোট ভোটের নূন্যতম ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় এসকল প্রার্থীরা জামানত হারান।

জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলা জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল হাই আল হাদী। 
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩ জন, জাতীয় পার্টির ৪ জন, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) ২ জন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ১ জন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) ১ জন, আমজনতার দলের ২ জন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ১ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ১ জন ও স্বতন্ত্র ৬ জন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৭ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে।
এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। সে হিসেবে ভোলার চারটি আসনের ২৯ প্রার্থীর মধ্যে সাড়ে ১২শতাংশ ভোট না পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা ২১জন।

ভোলা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোলা-১ (সদর) আসনে ভোট পড়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ১৮১। সাড়ে ১২ শতাংশের হিসেব অনুযায়ী ওই আসনে জামানত রক্ষার জন্য নুন্যতম ২৬ হাজার ৬৪৭ ভোট পাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিলো।

সেখানে এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আকবর হোসাইন লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন মাত্র ৫৯৯ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতিকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ২৪৫ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী চেয়ার প্রতিকে পেয়েছেন ৩০৩ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের মু. আইনুর রহমান জুয়েল ট্রাক প্রতিকে পেয়েছেন এক হাজার ১০৩ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান আম প্রতিকে পেয়েছেন ২১৭ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিজুল হোসেন সূর্যমুখী ফুল প্রতিকে পেয়েছেন ১৩৪ ভোট। তাদের সবারই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ২১ হাজার ৬৬২। জামানত রক্ষার নুন্যতম ২৭ হাজার ৭০৭ ভোটের বিপরীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাড.মো. জাহাঙ্গীর আলম রিটু লাঙ্গল প্রতিকে পেয়েছেন ৪৫০ ভোট।
এলডিপি প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী ছাতা প্রতিকে পেয়েছেন ৩৮১, আমজনতার দলের মো. আলাউদ্দিন প্রজাপতি প্রতিকে পেয়েছেন ৩৭০ ভোট। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাছলিমা বেগম ফুটবল প্রতিকে পেয়েছেন ২৯১, অ্যাড. মহিবুল্যাহ খোকন হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪৬ ও মো. জাকির হোসেন খন্দকার মোটরাসাইকেল প্রতিকে পেয়েছেন ৫৯৬ ভোট।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ১৭ হাজার ৯০১। জামানত রক্ষার নুন্যতম ২৭ হাজার ২৩৭ ভোটের বিপরীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন লাঙ্গল প্রতিকে পেয়েছেন ৭৮৯। ইসলামী আন্দোলনের মো. মোসলেহ উদ্দিন হাতপাখা প্রতিকে সাত হাজার ২৫৫, গণঅধিকার পরিষদের মো. আবু তৈয়ব ট্রাক প্রতিকে ২৬০, স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাড. মো. রহমাত উল্লাহ হেলিকপ্টার প্রতিকে পেয়েছেন ৫০৮ ভোট।

ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোট ভোট পড়েছে তিন লাখ তিন হাজার ৬০৯। জামানত রক্ষায় নুন্যতম ৩৭হাজার ৯৫১ ভোটের বিপরীতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবুল মোকাররম মো. কামাল উদ্দিন হাতপাখা প্রতিকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৩৫ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান লাঙ্গল প্রতিকে পেয়েছেন ৫৪৫, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) প্রার্থী আবুল কালাম সিংহ প্রতিকে পেয়েছেন ২০৮, আমজনতার দলের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন রুমী প্রজাপতি প্রতিকে পেয়েছেন ১৭৬ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ফুটবল প্রতিকে পেয়েছেন ২৩৫ ভোট।

ভোলা জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোলার চার আসনে মোট ভোট ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৬৮৮ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৩৫৩ জন। ভোটের শতকরা হার ৫৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়