শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০৩ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:১৩ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিরলের হাট-বাজার গুলোতে বিক্রি হচ্ছে আগাম জাতের আমন ধান, দাম নিয়ে কৃষক ও ক্রেতাদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

এম, এ কুদ্দুস, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরলে আগাম জাতের আমন ধান হাট বাজার গুলোতে উঠতে শুরু করেছে। দাম নিয়ে কৃষক ও ক্রেতাদের রয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। তবে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান কাটাই মাড়াই করে যেদামে হাটে বিক্রি করছে তাতে তাদের খরচ উঠছে না। অপরদিকে পাইকার ও ফড়েয়ারা বলেছেন, সরকারের এলসি, টি আর ও জি আর-এর চালের কারণে ধান বিক্রি কমে গেছে। সেই তুলনায় ধান কিনে পোশাচ্ছে না তাদের।
 
উপজেলার সব থেকে বড় ধানের হাট ৩নং ধামইড় ইউনিয়নের ধুকুরঝাড়ী বাজারে। সপ্তাহে প্রতি মঙ্গলবার বসে ধানের হাট। এখানে হাটের দিন ভোর সাড়ে ৫টা থেকে কৃষকেরা ভটভটি , নছিমন , ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে ধান নিয়ে আসতে শুরু করে । ভোর থেকে শুরু হয় কেনা-বেচা। চলে সকাল ১১টা পর্যন্ত। দিনাজপুর-বোচাগঞ্চ ও দিনাজপুর-কাহারোল পাকা সড়কের উভয় পাশে সারি সারি ভাবে বসে ধানের হাট। বস্তার মুখ খুলে পাশে দাড়িয়ে থাকেন কৃষকরা। এর পর ধান দেখে যার পছন্দ হয় সেই কিনে নেয় ধান।

বর্তমানে আমদানী কিছুটা কম হলেও আমন আগাম জাতের বিনা ৭, বিনা -১৭, বিনা-৭৫ প্রতিমন বিক্রি হচ্ছে ১০২৫ থেকে ১০৭৫ টাকা। এছাড়া পাথরফাঁটা, কোটরাপাড়ি ১০৫০ থেকে ১১ শ টাকা এবং পুরানো বোরো সম্পা কাঠারী ও বগুড়া কাঠারী প্রতিমন বিক্রি হচ্ছে ১৬ শ থেকে ১৬ শ ৫০ টাকা দরে। কৃষকদের অভিযোগ ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠছে না।

ক্রেতারা বলছেন, মিল চালানোর জন্য কাঁচা ধান কিনছেন ক্রেতারা। চালের দাম বেশী হওয়ায় ধান কিনে পোষাচ্ছে না তাদের। বাজারে এলসি, সরকারি টি আর, জি আর, এর চালের কারণে বিক্রি কমে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার জানান, এবারে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিছু এলাকায় ধান কাটা মাড়াই চলছে। আর কয়েক দিনের মধ্যে পুরোপুরি ধান কাটা মাড়াই শুরু হবে। এবারের মৌসুমে উপজেলায় ২৮ হাজার ৯২৭ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে চাল ৯৬ হাজার ৫০৯ মেট্রিক টন।

  • সর্বশেষ