শিরোনাম
◈ চীনের ১১ প্রতিষ্ঠানের ৯.২১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেল বাংলাদেশ ◈ সিগারেট খেতে নিষেধ করায় ছাত্রদল নেতাসহ ছয়জনকে গুলি (ভিডিও) ◈ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে মাদকের বড় চালান আসে: সংসদে গয়েশ্বর ◈ জামালপুরের সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ গুলশান থেকে গ্রেপ্তার ◈ আমি প্রথম বলির পাঁঠা, কিন্তু শেষ নই, এরপর একে একে সবাই টার্গেট হবেন: মাহফুজ আলম ◈ বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহ্‌দী আমিন ◈ ৬৮ বছরে ১৮ বিশ্বকাপ কাভার করা সাংবাদিককে ‘বিশেষ সম্মান’ আ‌র্জেন্টাইন কোচ স্কালোনির ◈ ১০ হাজার টাকা থাকলেই বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি সুকুকে, আবেদন রোববার ◈ তারেক রহমানের চীন সফর: দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম ◈ চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ড্রোন হামলা

প্রকাশিত : ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উৎপাদন বন্ধ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায়, গঠন তদন্ত কমিটি

মাহবুব সৈয়দ, পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি: দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় চার দিন ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

কারখানার একটি সূত্র জানায়, উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে ধান ও শাকসবজির ভরা মৌসুমে এই পরিস্থিতি সার সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

কারখানার জিএম (কারিগরি) সরফরাজ খান জানান, উৎপাদন বন্ধের কারণ অনুসন্ধানে তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধের কারণ ও করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জিএম (বাণিজ্য) আতিকুর রহমান খান বলেন, “যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। তবে কারখানায় বর্তমানে বস্তা ও খোলা অবস্থায় প্রায় ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। গত অর্থবছরে ৮ লাখ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও উৎপাদন হয়েছে ৮ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন।”

কারখানার জিএম (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম বলেন, “উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও দ্রুতই পুনরায় চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকায় তাত্ক্ষণিক কোনো সার সংকট হবে না।”

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত এই সার কারখানাটি ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার। গত অর্থবছরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এই কারখানাটি, যা দেশের সার উৎপাদনে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়