শেরপুর এমপিওভূক্ত পুষ্পকানন টেকনিক্যাল বিএম কলেজে একটি ভূতের ঘর। শেরপুরে (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) এবং টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজগুলোতে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম দেখা যায়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের অভাব, শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতা, ভৌত ও সরঞ্জামাদির অপর্যাপ্ততা এবং একাডেমিক ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা। অনেক কলেজ দীর্ঘ্ দিন থেকে শুধু সরকারী বেতন ভাতাদিই গ্রহন করছে । বছরে দুই একবার খোলা থাকলেও –মাসে একবার খোলে হাজিরা থাতায় সই ।
ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা প্রত্যান্ত অঞ্চলে এসব বিএম (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) এবং টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এর সঠিক মনিটরিং এবং অভিভাবাক না থাকায় –দুর থেকে শুধু দৃশ্যমান ভবন গুলিই শোভা পাচ্ছে দেখার মত । কাছে গিয়ে দেখা যায় ভবনের ভিতর বেঞ্চ নেই জানালার ভাঙাচোরা কাচ আর সামনে শোভা পাচ্ছে
ধানের ক্ষেত , নাহ হয় গরুর গোয়ালঘর ,পরিত্যাক্ত ভুতের আড়া ।
সরজমিনে দেখাযায় শেরপুরে এ-ধরনের অনেক প্রতিষ্ঠনই রয়েছে প্রশাসন এবং সাধারন মানুষের আড়ালে। বিএম এবং টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ রয়েছে- যা দেখলে মনে হবে এটা কোন ভূতের বাড়ি? ‘ দিনের বলাই যেদিকে তাকাই ভূতুড়ে পরিবেশ। কোনও সাড়াশব্দ নেই।
এদিকে জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার খড়িয়া কাজির ইউনিয়নে অবস্থিত পুষ্পকানন টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে গেলে দেখা যায় –নেই কোন ভবন- বিলের মধ্য টিনসেট লম্বা দুটি ঘর থাকলেও নেই কোন কলেজের অস্তিত্ব- একটি ছোট্র অফিস ঘর থাকলেও-মনে হয় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায়-নোংরা আবর্জনার স্তূপ । ক্লাস রুম গুলি মাদক সেবিদের অভয়ারণ্য- দুই তিনটি বেঞ্চ থাকলেও –সে গুলিতে উঁইপোকা ধরে মাটির টিহর বানিয়ে ফেলেছে । দুর থেকে মনে হয় একটি পরিত্যাক্ত কবরস্থান ।
এদিকে পুষ্পকানন টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে অধ্যক্ষপদে দাখিল কৃত এটি এম সাইফুল ইসলাম এর এমপিও ভুক্তির আবেদনে( রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা) থেকে অর্জিত( বিবিএ )( হিসাববিজ্ঞান )সনদ সিরিয়াল নং-R-2004301261-আইডি নং-20010071-সন 2004 সিজিপিএ 3.50 দাখিল কৃত জাল/ভূয়া সনদ হওয়াই ১০-০৯- ২০২৩ ইং তারিখে এটি এম সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রজু করার সুপারিশ করেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহাম্মেদ যুগ্ম-সচিব ভোকেশনাল । এরপর থেকেই কলেজ বন্ধ বলে এলাকাবাসী জানান । কিন্তু কে কার খোজঁ রাখে একবার এমপিও হয়ে গেলে পিছনের দিকে আর চিন্তা করতে হয় না । বেতন ভাতাদি রেলগাড়ীর মত চলতেই থাকে ।
টিচার মোঃ আব্দুর রহমান ম্যানেজমেন্ট- চামেলি আক্তার কমপিউটার –মোঃ মাহমুদুর রহমান –ইংলিশ এবং মোঃ মনোহার আলী অফিস সহকারী । তারা কেউ এ কলেজটিতে আসেন না । শুধু মাসের পর মাস সরকারী বেতন গ্রহন করেই যাচ্ছেন । এ বিষয়ে এটিএম সাইফুল ইসলাম এর সাথে বার বার যোগা যোগ করতে
গেলে –তাকে কোন ভাবেই পাওয়া যায়নি । পরে তার ফোনে ০১৯২১৪৪১৪২৬ নাম্বারে ফোনে যোগা যোগ করলে- সাংবাদিকের কথা শুনে ফোন রিছিভ করেন না ।
শ্রীবর্দী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহামেদ সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন শুধু শুনে গেছেন - উনি কোন মন্তব্য করেন নি ।