শিরোনাম
◈ ঈদে চন্দ্রা টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের চাপ, ১০ কিমি দীর্ঘ যানজট ◈ শিলাবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন ◈ ইরান-ইসরাইল-মার্কিন যুদ্ধে ভারতের ওপর ৫০ বিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বরফ গলছে! ◈ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ, কঠোর অবস্থানে মোজতবা খামেনি ◈ এক দশকে বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ চাকরি পাননি: বিশ্বব্যাংক ◈ নববর্ষে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড, প্রথম ধাপে ২১ হাজার কৃষক পাচ্ছেন সহায়তা ◈ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের ◈ মশক নিধনে ঢাকার দুই সিটিকে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রযুক্তিতে জোর

প্রকাশিত : ০৭ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:১৪ রাত
আপডেট : ১২ মে, ২০২৫, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দেয়ায় ইমাম বরখাস্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার পীরগাছি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. ওসমান গনিকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। জুমার নামাজের খুতবার বয়ানে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মাওলানা মামুনুল হকসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের কথা উল্লেখ করায় তাকে বরখাস্ত করা হয়। গত শনিবার (৫ অক্টোবর) রাতে মসজিদ কমিটি মৌখিকভাবে তাকে এ সিদ্ধান্ত জানায়।

স্থানীয় মুসল্লিদের মতে, গত শুক্রবার (৪ অক্টোবর) জুমার নামাজের সময় মাওলানা ওসমান গনি নবী-রাসুল ও পীর-মাশায়েখদের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। এ সময় মসজিদে উপস্থিত কিছু মুসল্লি তার বক্তব্যে আপত্তি জানান এবং তাকে খুতবা দেয়ার সময় অপমানিত করেন। এরপর মসজিদ কমিটি তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়, যা মুসল্লিদের অনেকের কাছে অপমানজনক বলে মনে হয়েছে।

ভুক্তভোগী ইমাম মাওলানা ওসমান গনি জানান, তিনি ধারাবাহিকভাবে রাসুল (সা.)-এর জীবনী নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তার বক্তব্যে নবী মুসা (আ.) এবং হযরত ইউসুফ (আ.)-এর ওপর হওয়া নির্যাতনের উদাহরণ তুলে ধরেন। এই প্রসঙ্গে তিনি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মামুনুল হকের ওপর হওয়া নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই প্রসঙ্গ তুলে ধরার পর আমাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং পরের জুমার নামাজে উপস্থিত হয়ে বিদায় নিতে চাইলেও সেই সুযোগ দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি জালাল উদ্দিন জানান, ইমাম সাহেবের বক্তব্যের একপর্যায়ে আওয়ামী লীগপন্থি কয়েকজন মুসল্লি হট্টগোল শুরু করেন। যদিও সামনের জুমায় বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিল, তবে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে ইমাম সাহেবকে বেতন দিয়ে চলে যেতে বলা হয়।

মুসল্লিদের একাংশ মনে করেন, ইমাম সাহেবকে সসম্মানে বিদায় দেয়া উচিত ছিল এবং এভাবে বরখাস্ত করা অনুচিত হয়েছে। তারা ইমামকে পুনরায় মসজিদে ফিরিয়ে আনার দাবিও জানান। উৎস: কালবেলা ও ভোরের কাগজ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়