শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০৩ আগস্ট, ২০২৪, ১০:১৮ রাত
আপডেট : ০৯ মে, ২০২৫, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মানুষের দুর্বল মুহূর্তের সুযোগ নিচ্ছে এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

ইমন হোসেন: [২] মানুষের বিশেষ বিপদের সময় তাদের সেবা দিয়ে থাকে এ্যাম্বুলেন্স সেবা দানকারীরা।কিন্তু এই বিপদের সময় মানুষের দুর্বল মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে চড়া ভাড়া আদায় করছে এ্যাম্বুলেন্স ব্যবসায়ীরা। নির্ধারিত ভাড়ার কয়েকগুণ বেশি টাকা রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে নিচ্ছেন অ্যাম্বুলেন্স চালকরা। 

[৩] কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে আহত হন আব্দুল্লাহ। তাৎক্ষণিক তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে রাজধানীর অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) আনা হয়। এ জন্য অ্য্যাম্বুলেন্সে ১৪ হাজার টাকা ভাড়া গুনতে হয়। স্বাভাবিক সময়ে এই ভাড়া ছিল ছয় থেকে সাত হাজার টাকা। (যমুনা টিভি)

[৪] এ বিষয়ে রোগীর স্বজনরা বলেন,কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা ও কারফিউর কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির অজুহাত দেখিয়ে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছেন অ্যাম্বুলেন্স চালকরা। সংঘর্ষে আহত বা গুলিবিদ্ধ হলে এমনিতেই চিকিৎসা পেতে প্রশাসনিক নানা হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের এমন বাড়তি ভাড়ার খড়গে বিপাকে পড়েছেন তারা। বাদ যাচ্ছে না সাধারণ রোগীও।(ইত্তেফাক)   

[৫] ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পদে পদে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। জরুরি সেবা জেনেও অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স আটকে দেওয়া হয়। বিপদ জেনেও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। রোগী নিয়ে যাওয়ার সময় ছেড়ে দিলে ফিরে আসার সময় খালি গাড়ি দেখে ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া খালি অ্যাম্বুলেন্স দেখলে অনেক সময় পুলিশও আটকে দেয়। এ অবস্থায় দ্বিগুণ ভাড়া না নিয়ে উপায় থাকে না বলে জানান অ্যাম্বুলেন্সচালকরা। (সময় টিভি)

[৬] বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, আন্দোলনের শুরুর দিকে শিক্ষার্থীরা অ্যাম্বুলেন্স ছেড়ে দিলেও পরে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় সারাদেশে অন্তত ২০০ অ্যাম্বুলেন্স  অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব ঘটনার পর কেউ ঝুঁকি নিয়ে যেতে চায় না। যাদের খুব বেশি প্রয়োজন তাদের যেতেই হয়। ভাড়াটা বেশি নেওয়ার বিষয়টি আমরা প্রত্যাশা করি না। (ঢাকা পোষ্ট ০২-০৮-২০২৪) সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী

এসবি২

  • সর্বশেষ