শিরোনাম
◈ সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে এসে নিখোঁজ: সুখরঞ্জন বালী মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার ◈ বাংলাদেশি পর্যটকদের ঠকানো হবে না, ক্রেতাদের আস্থা ফেরাতে ন্যায্য দামের অঙ্গীকার কলকাতার ব্যবসায়ীদের! ◈ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা উৎপাদন শুরুর প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছে ◈ শুধু আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগ দিতে হবে: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ◈ গ্যাস সংকট, অর্ডার কমে যাওয়া ও লোকসানে শিল্পনগরী গাজীপুরে একের পর এক কারখানা বন্ধ, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবন ◈ বিশ্বকা‌পে আন‌ন্দের মা‌ঝে বেদনার সুর, শাস্তির মু‌খে মেক্সিকো  ◈ চীনের অর্থনৈতিক করিডোরে যুক্ত হতে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ কোথায় ◈ হরমুজ প্রণালী বি‌দে‌শি‌দের খেলার মাঠ নয়,যুক্তরা‌স্ট্রের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরান সামরিক সদরদপ্তরের ◈ ডেঙ্গুর থাবায় চট্টগ্রাম, চার গুণ বেড়েছে রোগী ◈ সবুজ জ্বালানিতে বড় বিনিয়োগ টানতে নতুন কৌশল নিচ্ছে সরকার

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২২, ০২:৪৮ দুপুর
আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০২২, ০২:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] অভিযান-১০ লঞ্চ দুর্ঘটনা: ৭ আসামির জামিন নামঞ্জুর

খালিদ আহমেদ: [২] আজ বুধবার শুনানি নিয়ে নৌ আদালতের বিচারক স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগম এ আদেশ দেন।

[৩] ধার্য তারিখ অনুযায়ী, লঞ্চের অন্যতম মালিক মো. হামজালাল শেখসহ কারাগারে থাকা সাত আসামিকে আজ নৌ আদালতে হাজির করে পুলিশ। সাত আসামির মধ্যে তিনজন লঞ্চের মালিক। চারজন মাস্টার-চালক।

[৪] আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি আসামিদের জামিন প্রার্থনার পাশাপাশি একই ঘটনায় একাধিক মামলা দায়েরের কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হওয়ার বিষয়ে আদালতে যুক্তি দেন।

[৫] জামিন প্রার্থনায় আসামিপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন লঞ্চমালিকদের নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার সময় তারা নৌযানে ছিলেন না। তারা এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী নন।

[৬] রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি বেল্লাল হোসাইন জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ‘যে সম্পদ থেকে আমরা অধিকার, সুযোগ-সুবিধা ভোগ করি, তার দায়দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই। লঞ্চটি যথাযথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা না করার দায় মালিকেরা এড়াতে পারেন না।’

[৭] উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে নৌ আদালতের বিচারক আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।

[৮] গত ২৩ ডিসেম্বর মধ্যরাতে অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়। দগ্ধ অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিখোঁজ অনেকে।

[৯] অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গত ২৬ ডিসেম্বর নৌ আদালতে মামলা করে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক মো. শফিকুর রহমান।

[১০] মামলার আসামিরা হচ্ছেন লঞ্চটির স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল আরাফ অ্যান্ড কোম্পানির চার মালিক মো. হামজালাল শেখ, মো. শামিম আহম্মেদ, মো. রাসেল আাহাম্মেদ ও ফেরদৌস হাসান, লঞ্চের ইনচার্জ মাস্টার মো. রিয়াজ সিকদার, ইনচার্জ চালক মো. মাসুম বিল্লাহ, দ্বিতীয় মাস্টার মো. খলিলুর রহমান ও দ্বিতীয় চালক আবুল কালাম।

[১১] মামলায় আসামিদের নামে অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল অধ্যাদেশ ১৯৭৬ (সংশোধনী ২০০৫)-এর ৫৬, ৬৬, ৬৯ ও ৭০ ধারায় পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণযন্ত্র না থাকা, জীবন রক্ষাকারী পর্যাপ্ত বয়া ও বালুর বাক্স না থাকা, ইঞ্জিনকক্ষের বাইরে অননুমোদিতভাবে ডিজেলবোঝাই অনেক ড্রাম রাখা এবং রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা ও সিলিন্ডার রাখার অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়