প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কাউন্সিলর হত্যা মামলা ডিবিতে হস্তান্তর

ডেস্ক রিপোর্ট: কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) প্যানেল মেয়র ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মো. সোহেল ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহা হত্যা মামলাটি ডিবিতে (জেলা গোয়েন্দা) হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে গ্রেপ্তারকৃত ৪ আসামি ৫ দিনের রিমান্ডে আছে। ঢাকা পোস্ট, আর টিভি

এদিকে সোমবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে এই মামলার চার আসামিকে কুমিল্লার আদালতে তোলা হয়। এ সময় কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক চন্দন কান্তি নাথ তাদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আসামিরা হলেন- আশিকুর রহমান রকি, আলম, জিসান ও মাসুম।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক কায়সার হামিদ জানান, বিকেল ৪টায় আসামিদের আদালতে তোলা হয়। আমরা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলাম। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। এই মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তরের অর্ডার হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যে মামলার সব নথি হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এই মামলায় এজাহারনামীয় পাঁচজন ও সন্দেহভাজন দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরই মধ্যে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম, সাব্বির হোসেন ও সাজন। এ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি সোহেল ওরফে জেল সোহেল, সায়মন ও রনিকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আরও চারজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার পরদিন নিহত কাউন্সিলরের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

সৈয়দ মো. সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়রও ছিলেন। তার বাড়ি নগরের সুজানগর এলাকায়। ২০১২ ও ২০১৭ সালে তিনি কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি প্যানেল মেয়র ছিলেন।মো. সোহেল সুজানগর এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে। ছয় ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত