শিরোনাম
◈ বৃহস্প‌তিবার থেকে চট্টগ্রামে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি ‌ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হ‌চ্ছে ◈ রজনীকান্তের টানে হলের সব টিকিট কিনলেন ক্রিকেটার সঞ্জু স‌্যামসন! ◈ রাজপথে লড়াই করা নেতারাই আজ কোণঠাসা ◈ মিনিটেই শেষ ট্রেনের সব টিকিট, এবার টিকেটিং ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে রেলওয়ে ◈ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল ◈ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ঘণ্টায় গড় আয় ২০ ডলারের বেশি ◈ সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ৪ হাজার ২৯১ চাকরি, বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? ◈ হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান ◈ জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন ◈ প্রতিবেশী দেশের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৯:৫৪ রাত
আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের হাতাহাতি, হল বন্ধ ঘোষণা

ডেস্ক রিপোর্ট: ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য হল বন্ধ ঘোষণা করেছে। আর অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। সমকাল

শনিবার সন্ধ্যার দিকে হল বন্ধের ওই ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটলেও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর। এতে বলা হয়- আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগ ইউনিটটি জেলা শাখা ছাত্রলীগের অন্তর্গত ইউনিট হিসেবে বিবেচিত হবে।

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির পরই উত্তপ্ত হয়ে উঠে ময়মনসিংহ মহানগরীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ আনন্দ মোহন কলেজ। রাতেই এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ হয়। পরে শনিবার মহানগর ও জেলা ছাত্রলীগের অনুসারীদের মধ্যে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

আনন্দ মোহন কলেজটি ময়মনসিংহ মহানগরের ভেতরে হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে জেলা ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্ত হয় এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগসহ সাবেক ছাত্রলীগের অনেক সিনিয়র নেতাও। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এমন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম।

ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে এহতেশামুল আলম তার স্ট্যাটাসের একাংশে লিখেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এহেন সিদ্ধান্তের ফলে ময়মনসিংহ মহানগরে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তার দায়ভার সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নিতে হবে।’

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবিতে শনিবার সকাল থেকেই কলেজ ছাত্রলীগের একটি অংশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় এবং কলেজ শাখাটি মহানগর শাখায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে শ্লোগান দিতে থাকে। দুপুর ১২টার দিকে ছাত্রলীগের আরেকটি অংশ হঠাৎ দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় কলেজ কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণা দেয়। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আমান উল্লাহ স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে ছেলেদের এবং রোববার সকাল ৮টার মধ্যে মেয়েদের হল ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। দূর-দূরান্তের ছেলে শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে অনেকটা বাধ্য হয়েই হল ত্যাগ করেছে।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ককটেল বিস্ফোরণের কথা শুনলেও কোনো আলামত তারা পাননি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসের সামনে পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ