শিরোনাম
◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’ ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে ত্রিবেদীর দৌড়ঝাঁপ

প্রকাশিত : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৬:১৩ সকাল
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ১১:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কোভিডের ধকল কাটাতে দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বাড়তি মূলধন প্রয়োজন: এডিবি

সালেহ্ বিপ্লব: [২] ম্যানিলায় প্রকাশিত ২০২১ সালের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই)  প্রতিবেদনে এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক এ কথা বলেছে। সংস্থাটি মনে করে, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পখাতে নতুন উদ্যোক্তাদের মূলধন সহায়তা দিয়ে এশিয় দেশগুলো অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ভালো ফল পেতে পারে। বাসস, এডিবি

[৩] এডিবির ভারপ্রাপ্ত চিফ ইকনোমিস্ট জোসেফ জিভেগলিক বলেছেন, করোনা মহামারীর সময় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সরকারগুলো প্রণোদনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার শক্তি দিয়েছে।

[৪] তিনি বলেন, দীর্ঘ মেয়াদে এই শিল্পগুলোতে বাজারভিত্তিক অর্থায়নে জোর দিতে হবে। আর এটা করা যেতে পারে পুঁজিবাজার ও ডিজিটাল প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে।

[৫] এডিবির হিসেবে, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মোট ব্যবসায়িক উদ্যোগের ৯৯ দশমিক ৬ শতাংশ। মোট কর্মশক্তির ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং জিডিপির ৩৩ দশমিক ৯ শতাংশ।

[৬] তবে এসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের অনেকগুলো নিবন্ধিত নয়। এসব প্রতিষ্ঠান দেশের বাজারে প্রচুর পণ্য সরবরাহ করলেও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকায় সরকার তাদের কল্যাণে চাইলেও কিছু করতে পারে না। এসব জটিলতার কারণে একটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্যে নীতিমালা প্রণয়নও জটিল হয়ে পড়েছে।

[৭] এডিবি মনে করে, নিবন্ধনের বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। তাদের যোগাযোগ করিয়ে দিতে হবে বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে। তাহলে প্রতিটি দেশেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ভিত মজবুত হবে। জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তারা রপ্তানিতে শক্ত অবস্থান করে নেবে।

[৮] তথ্য কাঠামোর উন্নয়ন এবং জাতীয়ভাবে এই খাতের একক সংজ্ঞা নির্ধারণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে এডিবি।

[৯] বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প আইন থাকলেও এই অঞ্চলের অনেক দেশে তা নেই। এডিবি বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় এই খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্যে সব দেশেরই উচিত আইনটি প্রণয়ন করা।

  • সর্বশেষ