শিরোনাম
◈ কর্মপরিকল্পনার ১৮০ দিন শেষ, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন; হতে পারে দপ্তর রদবদল ◈ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন ◈ ইয়েমেনে ফের উত্তেজনা, হুতিদের হামলায় নিহত ৫৮ সেনা ◈ বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির খবর, পুলিশ বলছে গুজব ◈ খাদ্যে ভয়ংকর ভেজাল, মিলেছে ভারী ধাতু ও জীবাণু ◈ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করতে হবে: জামায়াত ◈ বাংলাদেশ থেকে আনারস নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার ◈ ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়লেই গ্রাহককে যখন-তখন ফোন ও হুমকি দেওয়া যাবে না: আরবিআইয়ের কঠোর নীতিমালা ◈ সৌদিকে ঘিরে ইরানি মিত্রদের সমন্বিত হামলার শঙ্কা, লক্ষ্যবস্তু জ্বালানি স্থাপনা ও বন্দর ◈ ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৬:১৩ সকাল
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ১১:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কোভিডের ধকল কাটাতে দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বাড়তি মূলধন প্রয়োজন: এডিবি

সালেহ্ বিপ্লব: [২] ম্যানিলায় প্রকাশিত ২০২১ সালের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই)  প্রতিবেদনে এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক এ কথা বলেছে। সংস্থাটি মনে করে, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পখাতে নতুন উদ্যোক্তাদের মূলধন সহায়তা দিয়ে এশিয় দেশগুলো অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ভালো ফল পেতে পারে। বাসস, এডিবি

[৩] এডিবির ভারপ্রাপ্ত চিফ ইকনোমিস্ট জোসেফ জিভেগলিক বলেছেন, করোনা মহামারীর সময় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সরকারগুলো প্রণোদনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার শক্তি দিয়েছে।

[৪] তিনি বলেন, দীর্ঘ মেয়াদে এই শিল্পগুলোতে বাজারভিত্তিক অর্থায়নে জোর দিতে হবে। আর এটা করা যেতে পারে পুঁজিবাজার ও ডিজিটাল প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে।

[৫] এডিবির হিসেবে, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মোট ব্যবসায়িক উদ্যোগের ৯৯ দশমিক ৬ শতাংশ। মোট কর্মশক্তির ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং জিডিপির ৩৩ দশমিক ৯ শতাংশ।

[৬] তবে এসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের অনেকগুলো নিবন্ধিত নয়। এসব প্রতিষ্ঠান দেশের বাজারে প্রচুর পণ্য সরবরাহ করলেও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকায় সরকার তাদের কল্যাণে চাইলেও কিছু করতে পারে না। এসব জটিলতার কারণে একটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্যে নীতিমালা প্রণয়নও জটিল হয়ে পড়েছে।

[৭] এডিবি মনে করে, নিবন্ধনের বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। তাদের যোগাযোগ করিয়ে দিতে হবে বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে। তাহলে প্রতিটি দেশেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ভিত মজবুত হবে। জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তারা রপ্তানিতে শক্ত অবস্থান করে নেবে।

[৮] তথ্য কাঠামোর উন্নয়ন এবং জাতীয়ভাবে এই খাতের একক সংজ্ঞা নির্ধারণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে এডিবি।

[৯] বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প আইন থাকলেও এই অঞ্চলের অনেক দেশে তা নেই। এডিবি বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় এই খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্যে সব দেশেরই উচিত আইনটি প্রণয়ন করা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়