প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]মজুরি কাটা ছাড়াই সপ্তাহে ৪ কর্মদিবস নির্ধারণ করলো ব্রিটেনের অ্যাটম ব্যাংক

লিহান লিমা: [২]ব্রিটেনের অনলাইন ব্যাংক অ্যাটম ব্যাংক তাদের ৪৩৯ জন কর্মীর বেতন না কমিয়ে চারদিনের সপ্তাহিক কর্মদিবস চালু করেছে। তারা আরো বলেছে, সপ্তাহিক কর্মঘণ্টা ৩৭.৫ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ৩৪ ঘণ্টা করা হয়েছে। তারা প্রত্যাশা করছেন বেশিরভাগ কর্মীই হয় সোমবার বা শুক্রবার ছুটি কাটাবেন। এই অফ’ডের বিষয়টি থাকবে স্বেচ্ছাধীন। সিএনএন

[৩]ব্যাংকের বস মার্ক মুলেন বলেন, মহামারী থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটি কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা এবং কর্মী ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

[৪]তিনি আরো বলেন, কোভিডের আগের বিষয়টি ছিলো আপনাকে প্রতিদিন অফিস ধরতে হবে, সারা দিন ডেস্কে বসে থাকতে হবে এবং পরদিন আবার সেটির পুনরাবৃত্তি। কিন্তু কোভিড দেখিয়েছে এটির প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি ৯-৫, সোম থেকে শুক্রবার কাজ করা একটি পুরনো পদ্ধতি।

[৫]১৯ শতকে বেশিরভাগ ব্রিটিশ কর্মী সপ্তাহে ৬দিন কাজ করতো। ১৯৩০ এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে হেনরি ফোর্ড এবং যুক্তরাজ্যের ফার্মেসি চেইন বুটস সুস্থতা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর উপায় হিসেবে দুই দিনের সপ্তাহিক ছুটির দিনের ধারণাকে জনপ্রিয় করে তোলেন। এখন সপ্তাহে চার কর্মদিবসের দাবী উঠছে, যাতে মানুষ নিজের জীবন-যাপনকে আরো উন্নত করতে পারে।

[৬]সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, আইসল্যান্ডের সরকারী কর্মীদের চার দিনের কর্মদিবসের বিষয়টি মানসিক চাপ কমাতে এবং কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আনতে সহায়তা করেছে। মাইক্রোসফট জাপান বলেছে, ২০১৯ সালে পুরো বেতনে কর্মীদের সপ্তাহে ৪ দিন কাজ করার পরীক্ষা চলাকালীন বিক্রয় প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবিসি

[৭]তবে ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞান গবেষণা ফাউন্ডেশন ওয়েলকাম ট্রাস্ট তার ৮’শ কর্মীর চার দিনের কর্মদিবসের পরিকল্পনা বাতিল করে জানায়, তিন মাসের গবেষণার পর দেখা গিয়েছে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার চার কর্মদিবসের বিষয়টি শ্রমিকের সুস্থতাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে এবং উৎপাদনশীলতার ক্ষতি করতে পারে।

 

সর্বাধিক পঠিত