প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বাংলাদেশের মানুষ চার গুণ মাছ খায়

মাজহারুল ইসলাম: [২] প্রাণিজ আমিষের ৬০ শতাংশ আসে মাছ থেকে। [৩] আর আমিষের চাহিদা মিটছে চাষের তিন মাছ পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া ও রুই মাছ থেকে।

[৪] দেশের বাজারে এখন প্রতিদিন যে পরিমান মিঠা পানির মাছ বিক্রি হয়, তার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মাছের যোগান আসে চাষ থেকে। নদ-নদীর মাছের চেয়ে চাষের মাছের দামও গড়ে অর্ধেকের মতো।

[৫] অন্যান্য দেশের মানুষ গড়ে দিনে ১৬ গ্রাম করে মাছ খায়, আর বাংলাদেশের মানুষ খায় ৬৩ গ্রাম। এসব মাছের বেশির ভাগই মিঠাপানির। জাতিসংঘের খাদ্য কৃষি সংস্থার (এফএও) হিসাবে, গত তিন যুগে বাংলাদেশের মাছের উৎপাদন ছয় গুণ বেড়েছে। একই তথ্য দিচ্ছে বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

[৬] আশির দশকের শুরুতেও দেশের নদ-নদী, বিল হাওরগুলোতে মাছ কমে আসছিল। এই অবস্থার বদল ঘটে আশি দশকের মাঝামাঝি। নব্বইয়ের দশক থেকে মাছ চাষে রীতিমতো বিপ্লবের সূচনা হয়।

[৭] মাছের উৎপাদন বাড়লেই সে দেশের মানুষের মাছ খাওয়ার পরিমাণ যে বাড়ে, তা নয়। যেমন মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে মাছের উৎপাদন বাড়লেও এসব দেশের মানুষের মাছ খাওয়ার পরিমাণ সেভাবে বাড়েনি। বাংলাদেশের মাছ খাওয়ার পরিমাণ বাড়ার প্রধান কারণ, অল্প আয়ের মানুষদের কাছে জনপ্রিয় ও ক্রয়সীমার মধ্য থাকা মাছগুলোর দাম দীর্ঘদিনেও খুব একটা বাড়েনি। চাষের রুই, পাঙাশ, তেলাপিয়ার, কই ও রাজপুঁটির দাম এখনো কেজিপ্রতি দেড়’শ থেকে আড়াই’শ টাকার মধ্যে। সূত্র: প্রথম আলো, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত