প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পর্যায়ক্রমে সকল অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করবো: তাপস

সুজিৎ নন্দী: [২] ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ধানমন্ডি খালের বিভিন্ন অংশ দখল হয়ে গিয়েছে। সেগুলো দখলমুক্ত করার কাজ আমরা শুরু করেছি। ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডি লেকের যে নকশা করে দিয়েছিলেন, সেই নকশা অনুযায়ী লেকের নান্দনিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারের জন্য আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি।

[৩] তিনি বলেন, শুরুতেই আমরা বলেছিলাম, সকল অবৈধ দখলদারকে আমরা উচ্ছেদ করব। পর্যায়ক্রমে সেই কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি এবং তাদেরকে উচ্ছেদ করে চলেছি। ওয়াসার কাছ থেকে খালগুলো পাওয়ার পর ব্যাপকভাবে সেগুলো হতে আমরা দখলমুক্ত করেছি।

[৪] মেয়র আরো বলেন, ধানমন্ডি খালের পুনরুদ্ধার ও পুনরুজ্জীবিত করার কার্যক্রম শুরু করেছি। এই খালের একটি অংশ আগে দখলমুক্ত করা যায়নি। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা সেগুলো দখল করে রেখেছে। আমরা সেগুলো দখলমুক্ত করতে কার্যক্রম আরম্ভ করেছি।

[৫] মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আজকেও আমরা পুরো জায়গাটা পরিদর্শন করেছি। সেখানে উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে। আমরা পূর্ণাঙ্গভাবে মূল নকশা অনুযায়ী খালকে পুনরুজ্জ্বীবিত করব এবং নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করব। পহেলা জানুয়ারি থেকে আমরা আবারও খাল পরিষ্কার কার্যক্রম হাতে নেবো।

[৬] বুধবার মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস কলাবাগান খেলার মাঠ ও মাঠ সংলগ্ন শহীদ শেখ রাসেল শিশু পার্কের উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন।

[৭] মেয়র তাপস বলেন, আজ আমরা কলাবাগান মাঠ ও মাঠ সংলগ্ন এই পার্কটি উদ্বোধন করেছি। এই এলাকাটা রাসেল স্কয়ার নামেই পরিচিত। তারই নামে ‘শহীদ শেখ রাসেল শিশু পার্ক’ উদ্বোধন করেছি। এখানে বাচ্চারা আসতে পারবে খেলাধুলা করবে বিভিন্ন সরঞ্জামাদি দেওয়া হয়েছে তারা যাতে উপভোগ করতে পারে। সেই পরিবেশ আমরা করে দিয়েছে।

[৮] এর আগে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বনানী কবরস্থানে জাতীয় চার নেতার সমাধি সৌধ, ধানমন্ডি-৩২ এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ এবং ধানমন্ডি লেকের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন।

[৯] বনানী কবরস্থানে জাতীয় চার নেতার সমাধি সৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর ‘জাতীয় চার নেতা আত্মত্যাগের দৃঢ়তায় দেশপ্রেমের বিরল নজির রেখে গেছেন’ বলে মন্তব্য করেন মেয়র তাপস।

[১০] এছাড়াও ধানমন্ডি লেক পরিদর্শনকালে মেয়র তাপস ‘লেক দখল করা স্থাপনাসমূহের অবৈধ বর্ধিতাংশ উচ্ছেদ, লেকের পরিবেশগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে’ নানাবিধ দিকনির্দেশনা দেন।

[১১] এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহমদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডসমূহের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বাধিক পঠিত