শিরোনাম
◈ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় উদ্যোগ: আমিনবাজার ও মাতুয়াইল প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ◈ ইরানের পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত উপসাগরীয় অঞ্চল, নিরাপত্তা সতর্কতা জারি কয়েক দেশে ◈ ৭৯ হাজার শিক্ষার্থী পেল প্রাথমিক বৃত্তি, ট্যালেন্টপুল ৩২ হাজার ৯৬৫ ◈ মুষলধারে বৃষ্টিতে স্থবির ঢাকা: ‘২০ বছরের রেকর্ড’ দাবি কতটা সত্য, আরও কয়েকদিন থাকতে পারে ভারী বর্ষণ ◈ ঝালকাঠির নলছিটিতে সন্তান নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া সেই নারী গ্রেফতার ◈ বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’: আরও ১৬ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত, মোট নিহত ১০২ দাবি পাকিস্তানের ◈ বিরল অথচ বাংলাদেশে সমানে বাড়ছে ‘কোরাল রেড কুকরি’, রহস্য কী? ◈ বন্যার ভয়াবহতা আরও বাড়ছে, ছয় বিভাগে আরও ভারী বৃষ্টির শঙ্কা ◈ মুস্তাফিজের ইনজু‌রি স‌ত্বেও ইংল‌্যা‌ন্ডে উড়ি‌য়ে নি‌চ্ছে বার্মিংহাম ফিনিক্স  ◈ চল‌তি বিশ্বকাপে খেলা দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার ফুটবলারের মৃত্যু 

প্রকাশিত : ০২ নভেম্বর, ২০২১, ০৯:৩৬ সকাল
আপডেট : ০২ নভেম্বর, ২০২১, ১২:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মহাকাশে লাল-সবুজ মরিচের চাষ, স্বাদ অপূর্ব বলছেন নভোচারীরা

রাশিদুল ইসলাম : [২] আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে শূন্য মাধ্যাকর্ষণের মধ্যেও বড় বড় লাল-সবুজ মরিচ ধরেছে গাছে। ঝাল, স্বাদেও তেমন খাসা বলেই মরিচ দিয়ে ঝাল ডিশ বানিয়ে খেয়ে প্রশংসা করছেন নভোচারীরা। দি ওয়াল

[৩] আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে গত ২০ বছর ধরে প্যাকেট খাবার খেতেন নভোচারীরা। গত কয়েক বছর ধরে স্পেস স্টেশনেই আনাজপাতি চাষের চেষ্টা শুরুর পর প্রথমে মুলা এরপর মরিচ ফলল।

[৪] নভোচারী মেগান ম্যাকআর্থার বিফ, টোমাটো আর ঝাল মরিচের বানানো রোল খেয়ে তারিফও করেছেন।

[৫] চাঁদ-মঙ্গলে এখন যাতায়াত চলছেই। যখন খুশি চাঁদে নেমে নুড়ি-পাথর কুড়িয়ে আনতে হতে পারে। সেখানে বিশ্রামের জন্য পাকা ঘরও তোলা হবে। দরকার পড়লে মঙ্গলে ঢুঁ মেরে আসতে হতেও পারে। মোদ্দা কথা, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে গ্যাঁট হয়ে বসে থাকার দিন শেষ। মহাকাশ চষে গ্রহ-তারাদের নিত্য নতুন খবর দিতে হবে নভোচারীদের। তার জন্য শরীর ঠিক রাখতে হবে। পুষ্টিকর খাবারও খেতে হবে। সেই পৃথিবী থেকে বয়ে নিয়ে যাওয়া বাসি খাবার চলবে না। একেবারে টাটকা ফল, আনাজ দিয়ে রান্নাবান্না হবে মহাকাশে। সে জন্য এখন চাষের কাজে মন দিয়েছে নাসা। নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার রয়েছে ফ্লোরিডায়। এই স্পেস সেন্টারের দায়িত্ব আধা নাসার, আধা ফ্লোরিডা সরকারের। নাসার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের (ইন্টারন্যাশনাল স্পেস সেন্টার)অনেক কাজকর্মই এখান থেকে পরিচালনা করা হয়। মহাকাশে ফসল ফলানোর ব্যাপারটাও এখানকার বিজ্ঞানীরাই দেখছেন।

[৬] আগে পৃথিবী থেকে যাবতীয় রসদ বয়ে নিয়ে যেতে হত। দীর্ঘ সময় থাকার জন্য খাবার পাঠানো হত। প্যাকেটবন্দি সে সব খাবারের পুষ্টিগুণ কিছু সময় পরেই ফুরিয়ে যায়। তাই যাতে পৃথিবী থেকে রসদ বয়ে নিয়ে যেতে না হয়, সে চেষ্টাই হচ্ছে। ফসল ফলাতে গেলে মাধ্যাকর্ষণের দরকার খুব একটা পড়ে না। গাছের শিকড় মাটির নিচ অবধি নামে। তাই অসুবিধা খুব একটা নেই। লাল ও নীল কৃত্রিম আলোতে গাছের ফলন ভাল হয়েছে। বিশেষ রকম পাথুরে মাটিতে বীজ পোঁতা হয়েছিল। সার ও অন্যান্য উপকরণ তার মধ্যেই ছিল। চাষের কাজ ঠিক হচ্ছে কিনা দেখার জন্য ১৮০টি সেন্সর ও ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। সেসব তথ্য পাঠানো হচ্ছিল পৃথিবীর গ্রাউন্ড স্টেশনে। চাষের কাজে এখন ভালমতোই সাফল্য এসেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়