প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শরীয়তপুর সদরে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় ১০ আ’লীগ নেতা বহিষ্কার

মো. আল-আমিন: [২] শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া, শৌলপাড়া, রুদ্রকর, তুলাসার, মাহমুদপুর, ডোমসার, পালং ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ায় আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

[৩] শনিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সভার মাধ্যমে তাদের লিখিতভাবে বহিষ্কার করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম তপাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান আকন্দ উজ্জ্বল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফাহাত হোসেন তপু প্রমুখ।

[৪] বহিষ্কৃতরা হলেন- শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, মাহমুদপুর ইউনিয়নে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং বর্তমান চেয়ারম্যান শাহজাহান ঢালী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য শাহিন তালুকদার ও তার স্ত্রী সদর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইরানি বেগম, শৌলপাড়া ইউনিয়নে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল মান্নান খান ভাষানী (মো. ভাষানী), জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি এসকেন্দার, পালং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য আজাহার খান, তুলাসার ইউনিয়নে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম এবং ডোমসার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য মজিবুর রহমান, রুদ্রকর ইউনিয়নে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান।

[৫] এ বিষয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেন, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার তাদের চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হবে।

[৬] এর মধ্যে বিনোদপুর, চন্দ্রপুর ও চিতলিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। যারা বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল তারা ২৬ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তা প্রত্যাহার না করায় কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ওই নেতাদের বহিষ্কার করে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

[৭] বহিষ্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে তুলাসার ইউনিয়নের উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহিদসহ অন্যান্য নেতারা বলেন, বহিষ্কারের বিষয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যে সভা হয়েছে সেখানে আমরা উপস্থিত ছিলাম না। আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে কি-না এ বিষয়ে কোনো চিঠিও আমি পাইনি। সুতরাং আমরা এখনো কমিটিতে আছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত