শিরোনাম
◈ বিশ্ববাণিজ্যের কেন্দ্র হচ্ছে এশিয়া, সুযোগ কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ নিম্নচাপে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত ◈ গরিবের মাছ পাঙাশ-তেলাপিয়াও এখন নাগালের বাইরে ◈ ৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে ঢাকা-কুমিল্লা নতুন রেলপথ ◈ সুনামগঞ্জে এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য, ইউএনওকে দায়ী করার পর ঢাকায় নেওয়া হলো তাঁকে ◈ মক্কায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বিষয়ে যে ৬ প্রশ্নের জবাব চেয়ে সৌদি আরবের কাছে চিঠি বাংলাদেশের ◈ ইউরোপের ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের আধিপত্য, ৮ মাসে রপ্তানি কমলেও শীর্ষস্থান অটুট ◈ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন স্পিকার? সংবিধান সংশোধন কমিটিতে প্রস্তাব, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে যে আলোচনা হলো ◈ শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে এবার ৮৮ লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও তারেক রহমানকে লেখা রহস্যময় চিঠিও ◈ ব্যাটিং কোচের পদ থেকে আশরাফুলকে অব‌্যাহ‌তি দি‌লো বি‌সি‌বি

প্রকাশিত : ৩০ অক্টোবর, ২০২১, ০২:৫৬ রাত
আপডেট : ৩০ অক্টোবর, ২০২১, ০২:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিউইয়র্কে 'ডাকনাম' নিয়েও নির্বাচন করার সুযোগ, স্টেট অ্যাসেম্বলিতে বিল পাশ

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যে এখন থেকে 'ডাকনাম' নিয়েও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। স্টেট অ্যাসেম্বলিতে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাশ হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল, স্টেট অ্যাসেম্বলি ও ডিস্টিক্ট লিডার পদের নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশি দুই প্রার্থীর নাম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী ব্যালট থেকে তাদের নাম বাদ দিলে পরবর্তীতে আদালতে শরণাপন্ন হয়ে তারা নির্বাচনে অংশ নেন। ভবিষ্যতে যাতে কেউ নিজের ডাকনাম নিয়ে অস্বস্তিতে না ভোগেন সেজন্য স্টেট অ্যাসেম্বলিতে এ বিল পাশ করা হয়। যুগান্তর

নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথলিন কোর্টনি হোচুল (ক্যাথী হোচুল) তাতে স্বাক্ষর করায় তা এখন আইনে পরিণত হয়েছে। যার ফলে ভবিষ্যত নির্বাচনে যে কেউ চাইলে তার ডাক নাম নিয়েও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন ল্যু ছিলেন উক্ত বিলের উদ্যোক্তা। বিলটি এখন আইনে পরিণত হওয়ায় অনেকেই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশি দুই নারী মেহেরুন্নিসা জোবায়দা যার ডাক নাম মেরী জোবায়দা হিসেবে গত স্টেট অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে ডিস্ট্রিক্ট ৩৭ থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। একইভাবে মৌমিতা আহমেদ অংশ নিয়েছিলেন জ্যামাইকা হিলসাইড এভিনিউ এলাকা থেকে ডিস্ট্রিক্ট লিডার পদে।

গভর্নর ক্যাথী হোচুল বলেন, দু’জন সাউথ এশিয়ান প্রার্থীকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন যা করেছিল তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতেই এই আইন। আমরা সবাইকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগকে অবারিত করে দিতে চাই।

মেরী জোবাইদা বলেন, এটি আমাদের ব্যক্তিগত কোন লড়াই ছিল না। আমরা সবার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। আজকের এই ঐতিহাসিক মুহুর্তে আমাদের জন্য যারাই সাহস ও সমর্থন দিয়েছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

মৌমিতা আহমেদ বলেন, সত্যের জন্য আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। এটা শুধু বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট নয় সব ইমিগ্র্যান্টদের বিজয়। বিলের স্পন্সর সিনেটর জন লু এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মেরী ও মৌমিতা যে লড়াই শুরু করেছিলেন তা ছিল অভিবাসী সমাজের দাবি আদায়ের সংগ্রাম। আমি তাদের অভিনন্দন জানাই।

  • সর্বশেষ