প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শুভদীপ চন্দ: কখনো কখনো কষ্ট নিয়েই মনে হয়, জিন্নাহ্র দ্বিজাতিতত্তে¡ কোনো ভুল ছিলো না!

শুভদীপ চন্দ
কখনো কখনো কষ্ট নিয়েই মনে হয়, জিন্নাহ্র দ্বিজাতিতত্তে¡ কোনো ভুল ছিলো না। না হলে এ যুগে এসেও কি মোহাম্মদ শামীদের ট্রল হতে হয়! সম্প্রতি ভারত পাকিস্তানের কাছে খেলায় হারেনি। ভারত হেরেছে খেলাশেষে নিজ ভারতবর্ষ ধর্মের কাছে। এ দুই ধর্ম শুধু পাশাপাশিই থেকে গেলো শতাব্দীর পর শতাব্দী। তাদের একে অপরের প্রেমে পড়তে পারে না, বিয়ে করতে পারে না। একে অপরকে বাসা ভাড়া দেয়ওনা। একের পোশাক অন্যে পরে না। মরার পর আত্মার সদগতি হয় দুই ভিন্ন উপায়ে। একের হিরো অন্যজনের কাছে ভিলেন। একের উৎসব অন্যজনের কাছে ঘরে বসে থাকা। আদর্শ, সামাজিকতা, রীতিনীতি, উত্তরাধিকারে পাওয়া সম্পত্তি, মা ডাক- সব ধরন ধারণ আলাদা। মুসলিম সাহিত্যিক, হিন্দু ছেলেটা, হিন্দুদের পূজা, মুসলমানের দেশ- এরকম হাস্যকর শব্দযোজনা এখানে কেউ বাঁকা চোখে দেখে না।

সম্প্রতি একজন সরল মনে বলছিলো, ‘হিন্দুদের যখন মূর্তি ডোবায় তখন তাদের সঙ্গে ঘাটে প্রতিবার আমিও যাই।’ সামান্য ‘মূর্তি’ শব্দকে ‘প্রতিমা’ শব্দে প্রতিস্থাপন করলে দেশের রাষ্ট্রধর্ম বদলে যাবে না, সরকারি ছুটিও একদিন বেড়ে যাবে না। তারা ওই পূজার জন্যই সারাবছর অপেক্ষা করে, ওই মূর্তিকেই ‘মা’ বলে ডাকে, নিজের হাতে বিসর্জন দিয়ে মন খারাপ করে বসে থাকে। কথায় অর্থে পার্থক্য নেই, পার্থক্য শ্রদ্ধায়। তাই খেলায় হারার পর লিটন হয়ে যান লিটন দাস, শামী হয়ে যান মোহাম্মদ শামি। এ মাটিতে জন্ম নেওয়া দুর্ভাগ্য ছাড়া আবার কী! পৃথিবীর ময়লা সাবান ঘষে পরিষ্কার করা যায়, ‘সংখ্যালঘু’ নামক ময়লাটি এ মাটিতে মরার পরও যায় না। তাই তাকিয়ে থাকতে হয় সহকর্মীদের দিকে। পরিচিতদের দিকে। যদি ঢাল হয়ে বাঁচায়, যদি একটি ‘ভালো’ সার্টিফিকেট দেয়, যদি ভদ্রতার বশেও করুণা করে তবে রক্ষা। সবাই তো আর এতো ভাগ্যবান হয় না। Shuvodip Chanda-র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়–ন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত