শিরোনাম
◈ ফেসবুক-মেসেঞ্জারেও যৌন হয়রানি হলে হবে শাস্তি, আসছে নতুন আইন ◈ ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব কমছে, বাড়ছে ভারতের উপস্থিতি ◈ সব সূচকে রেকর্ড, জিরো ওয়েটিং টাইমে ফিরেছে চট্টগ্রাম বন্দর ◈ জাপানের সঙ্গে গভীর হচ্ছে সম্পর্ক, বাড়ছে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সহযোগিতা ◈ বাংলাদেশি কার্গোর বাজার ধরতে সমুদ্র বন্দরের ৪৯ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করছে আদানি ◈ হৃদয়কে অধিনায়ক, জিম্বাবু‌য়ের বিরু‌দ্ধে ১৫ জ‌নের বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ বিশ্বকা‌পে ব্যর্থতার দায় স্বীকার ক‌রে নেদারল্যান্ডসের কোচের পদ থেকে ইস্তফা কোম্যানের, নতুন কোচ হ‌তে পা‌রেন আর্নে স্লট ◈ রাজধানী ঘিরে সড়ক ও নৌপথে নতুন পরিকল্পনা, অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলা‌দে‌শের স‌ঙ্গে চীনের লাইফলাইন কানেকশন, ভারতের চাণক্য বুমেরাং, ইস্ট লুকে আশা সাইবারে হতাশ ◈ এমবাপের বিশ্বরেকর্ড, ফ্রান্সের যত কীর্তি

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৪৭ দুপুর
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২১, ০২:০৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কবরীর ফ্ল্যাট দখলের চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন শাকের ওসমান চিশতি

ইমরুল শাহেদ: প্রয়াত অভিনেত্রী-নির্মাতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কবরীর গুলশানের ফ্ল্যাটটি দখলের জন্য এক ধরনের চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন তার ছোট ছেলে শাকের ওসমান চিশতি। গণমাধ্যমের কাছে তিনি এই আতংকের কথা প্রকাশ করেছেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে একটি রহস্যজনক ঘটনার জন্য পুলিশের সহায়তা চেয়েছিলেন শাকের ওসমান চিশতী। তিনি দাবি করেন, বাড়িটিতে ডাকাত পড়েছে। খবরটি জেনে গুলশান থানা পুলিশের কয়েকটি টিম বাতি নেভানো ওই ভবন ঘেরাও করে। নিরাপত্তাকর্মীকে ডেকে তুলে বাতি জ্বালিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। পরে দোতলায় একটি ফ্ল্যাটে সেখানকার কেয়ারটেকার ফরিদ, বাড়ির কেয়ারটেকার শহিদুলসহ কয়েকজনকে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।

কবরীর ছেলে সেই রাতের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘সিসি ক্যামেরায় দেখি নিচের সব বাতি নেভানো। দুটি মোবাইল ফোনের আলোতে কেউ সিঁড়িতে ও বেজমেন্টে হাঁটাহাঁটি করছে। মুহূর্তেই ইন্টারকমে ফোন দেই। কিন্তু নিরাপত্তাকর্মী ফোন তোলেনি। এ কারণে আতঙ্কিত হয়ে যাই। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেই। পুলিশ আসার পর নিচে নামি। তখন একটি বাতি জ্বালিয়েছে নিরাপত্তাকর্মী। পুলিশ ভেতরে এসে প্রথমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সে জানায়, বাড়ির কেয়ারটেকার তাকে সব বাতি নিভিয়ে দিতে বলেছে। শহিদুলকে পুলিশ ফোন দিলে সে জানায়, নিজের বাসায় ঘুমাচ্ছে।’ অথচ পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে, কবরীর বাড়িতে রহস্যজনক ঘটনার রাতে কেয়ারটেকার শহিদুল ইসলাম গাড়িচালকদের নিয়ে তাস খেলছিলেন।

গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হক ঘটনার বিষয়ে বলেন, ‘৯৯৯ নম্বরে ডাকাতের খবর পাওয়ার পর আমরা বাড়িটি ঘেরাও করি। কিন্তু ভেতরে প্রবেশের পর ডাকাত পাইনি। পরে সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। মূলত নিরাপত্তাকর্মী, বাড়ির কেয়ারটেকার, অন্যান্য ফ্ল্যাটের গাড়িচালকসহ কয়েকজন মিলে তাস খেলছিল। সিসি ক্যামেরায় যাতে ধরা না পড়ে সেজন্য বাতি নিভিয়ে রেখেছিল তারা। খেলা শেষে দুইজন রাতে বেরিয়ে চলে যায়। বাকি তিন-চারজন ছিল দোতলার একটি ফ্ল্যাটে। তাদের প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।’
এসআই আরও জানান, ২৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতের ওই ঘটনার পরদিন গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন শাকের ওসমান চিশতি। পুলিশ এখন সেটি তদন্ত করছে।

জিডিতে কবরীর ছেলের অভিযোগ, ‘গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে আমার বাসার সিঁড়িতে কিছু মানুষের আনাগোনার আওয়াজ পাই। সিসি ক্যামেরায় দেখি, গ্রাউন্ড ফ্লোরের সব বাতি নেভানো। সিঁড়িতে পায়ের আওয়াজ পেয়ে ইন্টারকমে ফোন করি। কর্তব্যরত সিকিউরিটি গার্ড ফোন না ধরায় আমার সন্দেহ বাড়তে থাকে। ২০ মিনিট পর রাত ২টা ৫০ মিনিটে ক্যামেরায় দেখি তিন ব্যক্তি মুঠোফোনের আলো জ্বালিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামছেন, পরে একটি মোটরসাইকেলে চড়ে তারা চলে যায়।’

বাড়িটির ফ্ল্যাট মালিক সমিতির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শাকের ওসমান, ‘আমি সমিতির সভাপতি আসলাম সানি ও সাধারণ সম্পাদক শাহ জাকিরের কাছে ই-মেইলে বিষয়টি জানিয়েছি। তবে তিন দিন হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তারা কেউ আমাকে কোনও উত্তর দেননি।’
শাকের চিশতী বলেন, ‘মা বেঁচে থাকা অবস্থায় এই বাড়ি নিয়ে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করেছিল। মাকে তখন লাঞ্ছিত করা হয়, হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল তিনি গুলশান থানায় জিডি করেছিলেন।’ সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়