শিরোনাম
◈ মোংলা বন্দরকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের ◈ অ্যাম্বুলেন্স সেবা সিন্ডিকেটের দখলে, ভাড়ায় লাগাম নেই; রোগী ও মরদেহ পরিবহনে চরম ভোগান্তি ◈ মধ‌্যবর্তী নির্বাচ‌নে ট্রাম্পের দলের হারের নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ, স্বীকার করলেন ভাইস প্রেসি‌ডেন্ট ◈ কুমিল্লায় এনআইডি করতে গিয়ে ঘুষের প্রতিবাদ, নির্বাচন কর্মকর্তার কক্ষে প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগ ◈ বরিশালে বছরে ৩০ হাজার মানুষ আক্রান্ত ছানিতে, এক কোটি মানুষের ভরসা এক শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ◈ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ, এবার কঙ্গো গেলেন বিমান বাহিনীর ১১১ জন ◈ শ্রমিক অসন্তোষে শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, চলছে ড্রোন নজরদারি ◈ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার যুবলীগ নেতা হিমাংশু পাল ◈ পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে ◈ আ‌মে‌রিকার মানুষ বিরক্ত হলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্পের মন্তব্যে তোলপাড় 

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ০৬:৪০ বিকাল
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ০৬:৪৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চাকরী না পেয়ে ফসল চাষ; নিধন করলো দুর্বৃত্তরা

আবদুল ওহাব: [২] বগুড়ার শাজাহানপুরে মাহমুদুল হাসান (৩০) নামে এক গরীব যুবক লেখাপড়া শিখে অনেক ঘুরে ঘুরে কোথাও চাকুরী না পাওয়ায় অবশেষে ফসল করার সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য সে প্রায় এক বিঘা জমি অপরের কাছ থেকে পত্তন নিয়ে কড়লা ও সীম চাষ করেছেন।

[৩] গত তিন’মাস ধরে পরিচর্যা করার পর এখন ফসল উৎপাদন ও অর্থ রোজগারের সময়। কিন্তু সে স্বপ্ন পুরণ হলোনা তার। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাতের আধারে বিষাক্ত ঔষধ প্রয়োগ করে ওই যুবক কৃষকের প্রায় এক বিঘা জমির কড়লা ক্ষেত এবং সীম ক্ষেতের ফসল নিধন করেছে দুর্বৃত্তরা। সে ঐ গ্রামের হতদরিদ্র ফজলুল হকের ছেলে। এতে করে তার প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ ওই কৃষক পরিবার। রবিবার ৩ অক্টোবর উপজেলার বামুনিয়া গ্রামের ফসল ক্ষেতে এই ঘটনা ঘটে।

[৪] কৃষক মাহমুদুল জানান, জমি চাষ, ফসলের চারা রোপন, শ্রমিক, সার, ঔষধ ও পরিচর্যা বাবদ এ পর্যন্ত প্রায় চল্লিশ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে। ঠিকমত পরিচর্যা করায় গাছ বেড়ে উঠেছে এবং অল্প কয়েকদিন পরেই ফসল উৎপাদন শুরু হবে। একাধারে ৩ থেকে ৪ মাস তিনি কড়লা বিক্রি করবেন। এরপর পরেই সীম উৎপাদন শুরু হবে এবং সেটিও ৩ থেকে ৪ মাস একাধারে বিক্রি করবেন। গড়ে প্রায় ৭-৮ মাস কড়লা ও সীম বিক্রি করতে পারবেন এবং অনায়াসে আড়াই লক্ষাধিক টাকা এই ফসল থেকে আসবে বলে তিনি প্রত্যাশা করছেন। তাছাড়াও বাজারে এখন সবজী ও তরকারীর প্রচুর দাম। তাই এ সম্ভাবনা আরও বেশী। কিন্তু সেই স্বপ্ন সব তছনছ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিবেশী একজনের সাথে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। সম্ভবতঃ সে করেছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে থানায় অভিযোগ দেয়া হবে।

[৫] স্থানীয় কৃষকরা জানান, ফসল উৎপাদন করেই কৃষক তার পরিবারের পেটের খাবার জোগায়। এছাড়াও এই ফসল সকল মানুষের খাদ্য। তাই এধরনের অমানুষিক দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

[৬] স্থানীয় আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান এবং ইউপি সদস্য আজিজুল হক ক্ষতিগ্রস্থ কুষকের ক্ষেতটি পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

  • সর্বশেষ