শিরোনাম
◈ দুই দশকের বেশি সময়েও থামেনি রাজনৈতিক সহিংসতা, সরকার বদলালেও বদলায়নি সংঘাতের চিত্র ◈ সাধারণ লবণের বদলে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ লবণ ব্যবহারে বছরে ৩০ লাখ মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব: গবেষণা ◈ হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি উৎস হিসেবে বিশ্ববাজারে গুরুত্ব বাড়ছে আফ্রিকার, বাড়ছে বিনিয়োগ! ◈ গাজীপুরের শ্রীপুর সাফারি পার্কে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাইয়ের ঘরে একসঙ্গে ৪ শাবকের জন্ম, বেড়ে সংখ্যা ১৩ ◈ প্রবাসীর টাকায় পড়াশোনা করে সরকারি চাকরি, সহকর্মীকে বিয়ের পর কারাগারে শিক্ষিকা-প্রেমিক ◈ দেশে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ভোলা-চট্টগ্রাম-নরসিংদীতে ৩ নতুন সার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ সরকারের ◈ ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা কি সত্যিই সম্ভব, প্রত্যর্পণ ও ট্রাভেল পাস নিয়ে যত জটিলতা ◈ সিঙ্গাপুর হংকং লন্ডন নিউইয়র্কের বাজারে ১ বিলিয়ন ডলারের সার্বভৌম বন্ড ছাড়ছে বাংলাদেশ, দায়িত্বে জেপি মরগান চেজ ◈ নোংরা মোজায় লুকিয়ে জার্মানিতে পাচার হচ্ছিল ৩০০০ মাকড়সা, মূল্য ১৫ লাখ ইউরো ◈ মেসির রাজকীয় বিদায়, রোনালদোর প্রস্থান বিতর্কে— দুই কিংবদন্তির প্রাপ‌্য সম্মান নি‌য়ে প্রশ্ন

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ০৬:৪০ বিকাল
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ০৬:৪৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চাকরী না পেয়ে ফসল চাষ; নিধন করলো দুর্বৃত্তরা

আবদুল ওহাব: [২] বগুড়ার শাজাহানপুরে মাহমুদুল হাসান (৩০) নামে এক গরীব যুবক লেখাপড়া শিখে অনেক ঘুরে ঘুরে কোথাও চাকুরী না পাওয়ায় অবশেষে ফসল করার সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য সে প্রায় এক বিঘা জমি অপরের কাছ থেকে পত্তন নিয়ে কড়লা ও সীম চাষ করেছেন।

[৩] গত তিন’মাস ধরে পরিচর্যা করার পর এখন ফসল উৎপাদন ও অর্থ রোজগারের সময়। কিন্তু সে স্বপ্ন পুরণ হলোনা তার। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাতের আধারে বিষাক্ত ঔষধ প্রয়োগ করে ওই যুবক কৃষকের প্রায় এক বিঘা জমির কড়লা ক্ষেত এবং সীম ক্ষেতের ফসল নিধন করেছে দুর্বৃত্তরা। সে ঐ গ্রামের হতদরিদ্র ফজলুল হকের ছেলে। এতে করে তার প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ ওই কৃষক পরিবার। রবিবার ৩ অক্টোবর উপজেলার বামুনিয়া গ্রামের ফসল ক্ষেতে এই ঘটনা ঘটে।

[৪] কৃষক মাহমুদুল জানান, জমি চাষ, ফসলের চারা রোপন, শ্রমিক, সার, ঔষধ ও পরিচর্যা বাবদ এ পর্যন্ত প্রায় চল্লিশ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে। ঠিকমত পরিচর্যা করায় গাছ বেড়ে উঠেছে এবং অল্প কয়েকদিন পরেই ফসল উৎপাদন শুরু হবে। একাধারে ৩ থেকে ৪ মাস তিনি কড়লা বিক্রি করবেন। এরপর পরেই সীম উৎপাদন শুরু হবে এবং সেটিও ৩ থেকে ৪ মাস একাধারে বিক্রি করবেন। গড়ে প্রায় ৭-৮ মাস কড়লা ও সীম বিক্রি করতে পারবেন এবং অনায়াসে আড়াই লক্ষাধিক টাকা এই ফসল থেকে আসবে বলে তিনি প্রত্যাশা করছেন। তাছাড়াও বাজারে এখন সবজী ও তরকারীর প্রচুর দাম। তাই এ সম্ভাবনা আরও বেশী। কিন্তু সেই স্বপ্ন সব তছনছ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিবেশী একজনের সাথে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। সম্ভবতঃ সে করেছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে থানায় অভিযোগ দেয়া হবে।

[৫] স্থানীয় কৃষকরা জানান, ফসল উৎপাদন করেই কৃষক তার পরিবারের পেটের খাবার জোগায়। এছাড়াও এই ফসল সকল মানুষের খাদ্য। তাই এধরনের অমানুষিক দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

[৬] স্থানীয় আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান এবং ইউপি সদস্য আজিজুল হক ক্ষতিগ্রস্থ কুষকের ক্ষেতটি পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

  • সর্বশেষ