শিরোনাম
◈ ‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’-পোস্টকার্ডের বিষয়ে যা জানা গেল ◈ জলবায়ু পরিবর্তনে তিন দশকে সবচেয়ে বড় ক্ষতির দায় যুক্তরাষ্ট্রের ◈ রফতানির ৮১ শতাংশই পোশাক খাত, বৈচিত্র্য না বাড়ালে বাড়বে ঝুঁকি! ◈ ডিপো থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় পরিবর্তন ◈ রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ দ্রুত ফুরোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার, দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ◈ স্বর্ণের দাম ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়লো ◈ ভিসা পেলেই প্রবেশ নিশ্চিত নয়, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ কুয়েত বিমানবন্দরে ব্যাপক হামলা, রাডার ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত ◈ দেশের সব পেট্রোল পাম্প তদারকি করতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করবে সরকার

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৯:১২ রাত
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] একজন তরুণ ইউটিউবার জাহান আসিফ

সুজিৎ নন্দী: [২] সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত একটি মুখ। তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। এইচএসসি শেষ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পাড়ি জমান। সেখানে পড়াশোনা এবং পার্টটাইম চাকরির পাশাপাশি ইউটিউবিং শুরু করেন। ধীরে ধীরে তার পরিচয়টা দাঁড়িয়েছে একজন তরুণ ইউটিউবার হিসেবে।

[৩] ২০১৫ সালের শেষের দিকে তিনি ইউটিউবে ভিডিও দেওয়া শুরু করেন। প্রথমদিকে তিনি যে ভিডিও আপলোড করতেন, সেগুলোতে ভিউ খুব বেশি হতো না। কিন্তু তিনি থেমে যাননি। নিরলসভাবে একের পর এক ভিডিও বানিয়ে গেছেন দর্শকের চাহিদা অনুযায়ী। দিনে দিনে তার ভিউজ বাড়তে থাকে। সেইসঙ্গে বাড়তে থাকে তার সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা।

[৪] দর্শকরা তার ভিডিওতে ইতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। ভালো সাড়া পেলে তিনি অনুপ্রাণিত হন। নিয়মিত ভিডিও আপলোড চলতে থাকে। একদিকে ভিউ বাড়তে থাকে। অপর দিকে হু হু করে বাড়তে থাকে সাবস্ক্রাইবার। এইতো কদিন আগে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ২ লাখ ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। আর মোট চ্যানেল ভিউ হয়েছে ১৯,৫৮০,৭৮৬।

[৫] জাহান আসিফ জনান, তিনি ইউটিউবিং শুরু করেন এক রকমের শখের বসে বলা যেতে পারে। পেশা হিসেবে নয়। তিনি স্যোসাল মিডিয়ার ভাইরাল বিভিন্ন টপিক নিয়ে বিনোদনমূলক ভিডিও বানান। দর্শক তার ভিডিও দেখে আনন্দ পান। এতেই তিনি খুশি।

[৬] তিনি আরো বলেন, সময় নিয়ে যুগোপযোগী মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে। নিয়মিত কাজ করতে হবে। ভিউ কম হলে কিংবা সাবস্ক্রাইবার না বাড়লে মন খারাপ করা যাবে না। যেহেতু এটা একটা উম্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম সেহেতু বাজে মন্তব্যে প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ করা যাবে না। সেটাও মেনে নিতে হবে। একই সাথে দরকার মনের জোর আর অদম্য সাহস।

[৭] আসিফ আরও জানান, বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পেশাদার ইউটিউবারের সংখ্যা কম। ইদানিং বেড়েছে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। শুরুটা ছিল দারুণ চ্যালেঞ্জের। অনেকে নিরুৎসাহিত করত। অনেক কটু মন্তব্য হজম করতে হয়েছে। এমনকি এখনো তা হজম করে যেতে হচ্ছে। এসব কিছুই স্কিপ অথবা ইগনোর করে আগাতে হয়।

[৮] তবু তিনি নিজেকে পরিপূর্ণ ইউটিউবার মনে করেন না। তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত শিখছি, হাল না ছেড়ে সামনে এগোচ্ছি, এই শেখা আজীবন চলতে থাকবে। প্রতিটি ভিডিও তৈরি করেন এই শেখা ও জানার জায়গা থেকে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়