প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বরগুনায় -২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের সংবাদ সম্মেলন

মো: সাগর আকন: সংবাদ কর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহবান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলেন করেছেন বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন।

বুধবার বেলা ১১ টায় বরগুনা সার্কিট হাউজ হল রুমে লিখিত বক্তব্য রাখেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব মৃধা, আব্বাস হোসেন মন্টু মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টুকুসহ বিভিন্ন উপজেলার মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যানগণ।

এমপি বলেন, সাম্প্রতিক কালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমাকে নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ করে আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। আমি যা করিনি তা লেখা হয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বরের একটি ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, আমি স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে পাথরঘাটা ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত ফুটবল লেখায় প্রধান অতিথি হিসাবে যোগদানের জন্য মোটর সাইকেলে চড়ে সেখানে রওনা দেই। ঘাট শ্রমিক নজরুল ইসলাম একটি মাইক্রোবাসে আমার সামনে সামনে যাচ্ছিল। আমার লোকজন সাইড দিতে বলার পরও আমার গাড়ীতে সাইড দিচ্ছেন না তিনি। তারপরও আমি কিছু বলিনি। পরে সভা মঞ্চে নজরুল ইসলাম তার ভুল বুঝতে পেরে সভামঞ্চে আমার কাছে এসে ক্ষমা চায়। আমি আদরের ভঙ্গিতে পিটে হালকা হাত বুলিয়ে বলেছি ক্ষমা চাওয়ার কিছু হয়নি। পরবর্তিতে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করায় আমি সাবেক ছাত্রলীগ কর্মি নজরুলকে মারধর করেছি। নজরুল পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য বাজার ঘাট শ্রমিক ইউনিয়নের একজন শ্রমিক। তিনি কোন দিন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিল না।

তিনি আরও বলেন, যে সব মিডিয়ার আমার বিরুদ্ধে নিউজ করেছে তারা আমার সাক্ষাতকার নিলে তথ্যগত ভুল হত না। ওই নজরুলের বিরুদ্ধে পাথরঘাটা থানায় ৭ টি মামলা রয়েছে। একজন সন্ত্রাসীকে দিয়ে একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে নিউজ করায়। তিনি আরও বলেন, পাথারঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাক্তার শাহনাজ পারভীন দুই বছর ডিউটি না করে প্রধান সহকারীকে ম্যানেজ করে বিল তুলে নেয়। আমি প্রধান সহকারীর সঙ্গে রাগ করেছি। তিনি কেন বিল প্রস্তুত করলেন।  আমার প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে নিউজ করায় আমি নাকি প্রধান সহকারীকে মারধর করেছি। অথচ ওই ডাক্তার ২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে উত্তেলিত ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯৩ টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেয়।

এমপি আরও বলেন, শত কোটি টাকার সড়কের কাজ ঠিকাদার স্থানীয় সওজের প্রকৌশলীদের যোগসাজসে সিডিউল অনুযায়ী কাজ করছে না। স্থানীয় জনগণ আমার নিকট অভিযোগ দিলে আমি মান সম্মত সিডিউল মোতাবেক কাজ করতে নির্দেশ দেই। তারা কাজ না করে কাজ ফেলে রাখে। আমার বিরুদ্ধে নিউজ করা হয় আমি কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এমপি বলেন, রাষ্ট্রের একজন এমপির যতটুকু দায়িত্ব আছে তেমনি সাংবাদিকদেরও সাদাকে সাদা বলা। কালোকে কালো বলার দায়িত্ব রয়েছে। ভুল ত্রুটির উর্ধে কোন মানুষ নেই। আমি সারা জীবন দুর্নীতি বাজদের বিরুদ্ধে ছিলাম। এখনও আছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত