শিরোনাম
◈ আলমারি ভর্তি রুপি মিলল সরকারি কর্মকর্তার বাড়িতে ◈ বিশেষ কারণ নেই, আরও পরিবর্তন আসবে: গভর্নর নিয়োগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য ◈ বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন ঘিরে ইসির বিশেষ আদেশ ◈ এবার নগদে বিনিয়োগ নিয়ে ব্যারিস্টার আরমান যা বললেন ◈ পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী ◈ কম্পিউটার অপারেটর থেকে শিক্ষা অফিসার, বিতর্কিত পদোন্নতি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ নতুন দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি দেখে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের ওপর হামলা, সড়কে অবস্থান (ভিডিও) ◈ নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৩৯ রাত
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] হিরো আলমের বিরুদ্ধে ‘বাবু খাইছো’ গান ‘বিকৃতি’র অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

ডেস্ক নিউজ : [২] আলোচিত ‘বাবু খাইছো’ গানের শিরোনাম, কথা, সুর চুরি ও বিকৃত করার অভিযোগে হিরো আলম ও আতাউর রহমান মমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার সাক্ষ্য প্রমাণে সত্যতা খুঁজে পায়নি তদন্ত সংস্থা সিআইডি। তবে সিআইডির দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেবেন মামলার বাদী সোলস ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য ও সংগীত পরিচালক মীর শাহরিয়ার মাসুম।

[৩] বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ২১ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি এ মামলায় প্রতিবেদন দিয়েছে। প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি উপ-পরিদর্শক শাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন। মামলার বাদী প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেবেন বলে আদালতকে জানান। আদালত এ বিষয় শুনানির জন্য ১০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

[৪] মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি উপ-পরিদর্শক শাখাওয়াত হোসেন প্রতিবেদনে উল্লেখ্য করেছেন, বাবু খাইছো শিরোনামের দুইটি গানের শুধুমাত্র বাবু খাইছো শব্দ ছাড়া গানের অন্যান্য কথা ও সুরের মধ্যে হুবহু কোনো সাদৃশ্য পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত গানের বাবু খাইছো শিরোনামের জন্য গানটি জনপ্রিয় হয়েছে।

[৫] এ দুইটি শব্দ, উপস্থাপনের প্রকাশভঙ্গি ও সুর সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় পরবর্তীতে প্রকাশিত গানের অংশের জনপ্রিয় অংশের কপি করা হয়েছে। বাবু খাইছো শব্দের প্রাধান্য দিয়েই গানটি পরিবেশিত হয়েছে মর্মে কপি রাইট বিশেষজ্ঞের মতামত হতে জানা যায়।

[৬] তবে কপিরাইট আইন-২০০০ এর ৬০ ধারায় কোনো কর্মের কপিরাইট রেডিস্ট্রেশন করা হলে ওই কপিরাইট সনদ সকল আদালতের মূল দলিল বা মুল কপির উপস্থাপন ব্যতীত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করা হলেও মামলার বাদী কিংবা বিবাদীদ্বয় কেওই বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসে কপিরাইট রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন দাখিল করেনি।

[৭] কারো নামে কপিরাইট সদস ইস্যু করা হয়নি মর্মে তদন্তে প্রতিয়মান হয়। তাই সার্বিক তদন্তে বাদী মীর শাহরিয়ার মাসুম কর্তৃক বিবাদী আশরাফুল হোসেন আলম প্রকাশ হিরো আলম ও আতাউর রহমান মমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২০১৮ এর ২২(২)/২৩ (২)/২৪ (২) ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে সাক্ষ্য প্রমাণে প্রমাণিত না হওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলো।

[৮] এর আগে রোববার (৬ ডিসেম্বর) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হিরো আলম ও আতাউর রহমান মমের বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মীর শাহরিয়ার মাসুম বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

[৯] মামলার অভিযোগে বাদী বলেন, সম্প্রতি তুমুল আলোচনায় আসা ‘বাবু খাইছো’ গানটি মীরের সুরে লিখেছেন ও গেয়েছেন তারই ছোট ভাই ডিজে মারুফ। এটি ৫ সেপ্টেম্বর ঈগল মিউজিকের ব্যানারে প্রকাশ হয়। এরপর ইউটিউব, ফেসবুক হয়ে তুমুল জনপ্রিয় ও ভাইরাল হয় গানটি। গানটির মাধ্যমে সাম্প্রতিক প্রেমিক- প্রেমিকাদের কিছু অসঙ্গতি বা কালচার মজার ছলে তুলে আনেন মীর ব্রাদার্স।

[১০] এ গানটির সাফল্য দেখে হিরো আলমও তার অনুকরণে নিজের গানটি তৈরি করেছেন। মীর ব্রাদার্সের অভিযোগ, গানটির শিরোনাম, চুম্বক অংশ ও সুর হুবহু নকল করেছেন হিরো আলম। তাদের আরও দাবি, এই গানটি তৈরির মাধ্যমে মূল গান, শিল্পী ও শিল্পের মানহানি করেছেন হিরো আলম। সূত্র : জাগো নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়