শিরোনাম
◈ তেল-গ্যাসে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা কতটা ◈ যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইরান, সামনে তিন শর্ত ◈ উত্তর ইসরায়েলে তীব্র হামলা: ইরান-হিজবুল্লাহর ১০০ রকেট নিক্ষেপের দাবি ◈ রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় র‌্যাবের ওপর হামলা ◈ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন কে? নানা আলোচনা ◈ স্বাভাবিক হয়নি ভোজ্যতেলের বাজার ◈ সিঙ্গাপুর থেকে জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ ◈ সহ আ‌য়োজক যুক্তরা‌স্ট্রে ইরান বিশ্বকাপ খেলবে না, জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ–জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৯:৩০ সকাল
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর ট্রেন যাবে কক্সবাজারে

এম আর আমিন: [২] বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদসৈকতের নগরী কক্সবাজারের সাথে সারা দেশের ২০২২ সালের ডিসেম্বর মধ্যে চালু হবে রেল যোগাযোগ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ও রামু পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। কক্সবাজারে ট্রেন চালুর অপেক্ষায় রয়েছে দেশবাসী।

[৩] ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত এটির নির্ধারিত মেয়াদ ধরা আছে। করোনাকালীন কাজ করতে সমস্যা এবং নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি কিছু স্থাপনার জমি পেতে সমস্যার কারণে কাজ বিলম্বিত হয়। কাজেই ছয় মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরে এটি উদ্বোধনের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণের প্রায় ৬২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজারে আইকনিক ৯টি স্টেশন, ৩৯টি ব্রিজ, ১৪৫টি কালভার্ট, বিভিন্ন শ্রেণীর ৯৬টি লেভেল ক্রসিং নির্মাণও এগিয়ে চলছে। এ প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্য দিয়ে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ, আরামদায়ক, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রবর্তন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রাস্তা চার লেইনে উন্নিতকরণ, কর্ণফুলী টানেলের পাশাপাশি রেল যোগাযোগ শুরু হলে কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক মানের শহর। আর সারা দেশের সাথে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা হয়ে গেলে কক্সবাজারে দেশী-বিদেশী পর্যক কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। এতে বৈদেশিক আয়ের পাশারপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাইল ফলক। ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে করিডোরের সাথে সংযোগ স্থাপন ও পর্যটন শহর কক্সবাজারকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার লক্ষ্যে এ প্রকল্প। পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ, আরামদায়ক, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগব্যবস্থার প্রবর্তন, সহজে ও কম খরচে মাছ, লবণ, রাবারের কাচামাল এবং বনজ ও কৃষি পণ্য পরিবহন সম্ভব হবে।

[৪] রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে রেলকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। একটি অকেজো ও পরিত্যক্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছিল রেল মন্ত্রণালয়কে। প্রধানমন্ত্রী গভীরভাবে অনুধাবন করেছেন যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন না হলে দেশ অনেক পিছিয়ে থাকবে। তাই তিনি দেশের যোগাযোগব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় এই খাতকে সচল করেছেন। ইতোমধ্যে দেশের সব জেলায় রেল পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছেন। তার মধ্যে তিনি কক্সবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। চট্টগ্রামের সাথে পর্যটন নগরী কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ প্রায় ৬২ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ।

[৫] তিনি আরো বলেন, জাতীয় স্বার্থে কক্সবাজারে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেকে সরকারকে জমি দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থে এই জমি নিচ্ছেন। তার বদৌলতে দিচ্ছেন তিন গুণ ক্ষতিপূরণ। এই এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ছিল রেল নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে মানুষের জন্য রেলপথ নির্মাণসহ নানা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। রেল এলে আন্তর্জাতিকভাবে আরো সমাদৃত হবে কক্সবাজার। এতে পাল্টে যাবে অর্থনৈতিক চিত্র। রেলকে কেন্দ্র করে স্বাবলম্বী হবে মানুষ। ভবিষ্যতে সিঙ্গেল লাইন থেকে ডাবল লাইন ট্র্যাক নির্মাণ করা হবে। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়