প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ‘রাতে ভোট হওয়ার আশঙ্কা থাকলে নির্বাচনে যেতে দু’বার ভাববো’

ভূঁইয়া আশিক রহমান: [২] কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. (অব) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, নির্বাচন কমিশন নতুন করে গঠন করতে হবে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে। আইনের খসড়া প্রণয়নের পর জনমত যাচাই করে পাস করুন। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন করুন।

[৩] নির্বাচনকালীন, অন্তর্বর্তীকালীন কিংবা আপতকালীন যে নামেই ডাকা হোক, একটি ভালো নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে লাফাইতে লাফাইতে নির্বাচনে যাবো। নিরপেক্ষ সরকারের দাবি না মানলে কী করবোÑ তা বলার সময় এখনো আসেনি।

[৪] এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ-পৌরসভার নির্বাচনেও নিরপেক্ষতা নেই, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে এলডিপি যাবে না। নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। ঠুঁটো জগন্নাথ কমিশন দিয়ে নির্বাচন করে কোনো লাভ নেই। যদিও যে যখন সরকারে থাকে, নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে।

[৫] নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে ইন্টারেস্ট নেই, আমরা সরকার বদল চাই। সরকার পরিবর্তন হলে একটা নির্বাচনকালীন সরকার আসবে। তারাই নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। এসব দাবি আদায়ে আন্দোলনের চেষ্টা করছি, যুগপথভাবে আন্দোলনও করা যায় কিনা সেটাও চেষ্টা করছি। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব থাকলেও এখন কেন, আগে এই সরকার যাক!

[৬] গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, সংকট উত্তরণে রাজনৈতিক সমঝোতা জরুরি, কতোগুলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সংস্কারের ব্যাপারে ঐক্যমত হতে হবে। সংস্কারগুলো করলে ১৫ বছরের মধ্যে দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। তখন হয়তো পনের বছর পরে নির্বাচিত সরকারের অধীনেই নির্বাচন করতে পারবো।

[৭] আদালত, নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগে পরিবর্তন আনতে হবে। সরকারই যদি নিয়োগকর্তা থাকে, তাহলে অনুগত প্রতিষ্ঠান ছাড়া কিছু পাওয়া যাবে না। [১১] যেনতেন রকমের নির্বাচনে গেলে একাদশ নির্বাচনের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হওয়ার আশঙ্কা আছে দ্বাদশে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত